তৃণমূলের যুব নেতা খুনে গ্রেপ্তার ২ সুপারি কিলার

250

বর্ধমান: তৃণমূলের যুব নেতা খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ সুপারি কিলার। ৭ সেপ্টেম্বর পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের দেবশালা অঞ্চলের তৃণমূল যুব নেতা চঞ্চল বক্সি খুন হন। সেই ঘটনায় দুই সুপারি কিলার মহম্মদ ইমরান কুরেশি ও শেখ শের আলিকে শুক্রবার গ্রেপ্তার করে আউশগ্রাম থানার পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে ইমরানের বাড়ি দুর্গাপুরের ডিভিসি মোড়ের কাছে ভবানীপল্লিতে। অপর ধৃত শের আলির বাড়ি বীরভূম জেলার দুবরাজপুর এলাকায়। খুনের ঘটনার মূল চক্রী আসানুল মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ দুই সুপারি কিলারের নাম জানতে পারে। তারপরই শুক্রবার আউশগ্রাম থানার পুলিশ দুটি দলে ভাগ হয়ে দুর্গাপুর ও বীরভূমের সাঁইথিয়ায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।

পুলিশের দাবি, ধৃতরা তৃণমূলের যুব নেতা চঞ্চল বক্সিকে খুনের কথা কবুল করেছে। যুব নেতা খুনের ঘটনায় এই নিয়ে আট জন গ্রেপ্তার হল। গত বৃহস্পতিবার পুলিশের জালে ধরা পড়েছিল বিহারের মুঙ্গেরের দুই অস্ত্র কারবারী মহম্মদ ইমতিয়াজ ও মহম্মদ পাপ্পু। ঝাড়খণ্ডে ধরা পড়া ওই দুই অস্ত্র কারবারী যুব নেতাকে খুনের জন্য আগ্নেয়াস্ত্র সরবরাহ করেছিল বলে পুলিশ জেনেছে। শনিবার ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। সিজেএম ধৃতদের ৮ দিনের পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

- Advertisement -

পুলিশ জানিয়েছে, ৭ সেপ্টেম্বর গেরাই থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুষ্কৃতীদের গুলিতে মৃত্যু হয় দেবশালা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শ্যামল বক্সির ছেলে তথা তৃণমূল যুব কংগ্রেস নেতা চঞ্চল বক্সির। দুই বর্ধমান জেলার পুলিশ সিট গঠন করে খুনের তদন্ত শুরু করে। এক সপ্তাহের মধ্যেই পুলিশ দেবশালা অঞ্চলের তৃণমূল যুব সভাপতি তথা গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য আসানুর মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করে। দেবশালা গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য মনির হোসেন মোল্লা এবং তৃণমূলের দেবশালা অঞ্চল সভাপতির ছেলে বিশ্বরূপ মণ্ডলকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ ভাতকুন্ডা গ্রামের আয়ুব খান নামে আরও এক তৃণমূল কর্মীকে গ্রেপ্তার করে। এরপর ধৃতদের জেরা করে মহম্মদ পাপ্পু ও মহম্মদ ইমতিয়াজ ওরফে পিন্টু নামে দুই দুষ্কৃতীর হদিস পায় পুলিশ। বৃহস্পতিবার ঝাড়খণ্ডের জামতাড়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। খুনের পর তারা ঝাড়খণ্ডে গা ঢাকা দিয়েছিল। পুলিশ ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে দুই সুপারি কিলারের নাম জানতে পারে। শুক্রবার ওই দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে আউশগ্রাম থানার পুলিশ।