মাদারিহাটে তৃণমূলের বৈঠক, বাইক র‍্যালি যুবদের

140

রাঙ্গালিবাজনাআলিপুরদুয়ার জেলার মাদারিহাট বিধানসভা আসনে ভোটের প্রচারে আদাজল খেয়ে নেমে পড়েছে তৃণমূল। প্রতিদিন নির্বাচনী কৌশল ঠিক করতে বৈঠকে বসছেন দলের ব্লকস্তরের নেতারা। বৃহস্পতিবারও মাদারিহাটের একটি হোটেলে দলের ব্লক ও চা বাগানের শ্রমিক সংগঠনের নেতারা বৈঠক করেন।

অন্যদিকে, এদিন দলের যুব সংগঠনের বাইক র‍্যালি বীরপাড়া, মাদারিহাট, শিশুবাড়ি, রাঙ্গালিবাজনা দাপিয়ে বেড়ায়। র‍্যালিতে অংশ নেন সংগঠনের মাদারিহাট-বীরপাড়া ব্লক কমিটির সভাপতি বিশাল গুরুং, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সঞ্জয় লামা, বিধানসভার কো-অর্ডিনেটর জয়প্রকাশ টোপ্পো প্রমুখ। পরে খয়েরবাড়ি গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায় একটি জনসভা করে তৃণমূল যুব। বক্তব্য রাখেন দলের ব্লক কো-অর্ডিনেটর জয়প্রকাশ টোপ্পো, আলিপুরদুয়ার জেলা কমিটির সম্পাদক রশিদুল আলম প্রমুখ।

- Advertisement -

মাদারিহাট বিধানসভা আসনটি বিজেপির দখলে রয়েছে। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই আসনে তৃণমূল প্রার্থী কুড়ি হাজারেরও বেশি ভোটে বিজেপি প্রার্থী মনোজ টিগ্গার কাছে পরাজিত হন। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনেও আলিপুরদুয়ার লোকসভা কেন্দ্রের অধীন মাদারিহাট বিধানসভা আসনে বিজেপি প্রার্থীর চেয়ে চল্লিশ হাজার ভোটে পিছিয়ে যায় তৃণমূল। স্বাভাবিকভাবেই, এই কেন্দ্রটি তৃণমূলের কাছে একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলে মানছেন দলের নেতা-কর্মীরাও। যদিও দলের ব্লক সভাপতি সঞ্জয় লামা বলেন, ‘প্রচারে ব্যাপক সাড়া মিলছে। এবারের পরিস্থিতি অন্যবারের চেয়ে অনেক ভালো।‘

এদিকে, মাদারিহাটের হোটেলে আয়োজিত বৈঠকে এদিন ব্লক ও জেলার নেতাদের সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল অনুমোদিত তরাই ডুয়ার্স প্ল্যান্টেশন ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সভাপতি নকুল সোনার, চা বাগান তৃণমূল কংগ্রেস মজদুর ইউনিয়নের সদস্য উত্তম সাহা প্রমুখ।

দলের অন্দরের খবর, চা বাগানের শ্রমিক কর্মচারীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচারের কৌশল ঠিক করতেই এদিন বৈঠকে বসেন ট্রেড ইউনিয়ন ও দলের নেতারা। তবে,  শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, চা সুন্দরী প্রকল্পের উপকারিতা ছাড়া চা বাগানে ভোটের প্রচারে আর কী কী কৌশল অবলম্বন করা হবে, তা নিয়ে এদিন মুখ খোলেননি তৃণমূল ও দলের ট্রেড ইউনিয়নের নেতারা।

চা শ্রমিক সংগঠনের নেতা উত্তম সাহা বলেন, ‘চা বাগানের শ্রমিক কর্মচারীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবারের ভোটে মাদারিহাট বিধানসভা কেন্দ্রে তার প্রতিফলন হবে।‘