‘তৃণমূলেই আছি’ অভিষেকের সঙ্গে বৈঠকের পর জানালেন শতাব্দী

222

কলকাতা: একেবারে শেষে এসে ইউটার্ন নিলেন বীরভূমের তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ শতাব্দী রায়। অভিষেকের সঙ্গে বৈঠকের পরই জানালেন, তিনি তৃণমূলেই আছেন। পাশাপাশি শনিবার দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শা-র সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল শতাব্দীর। কিন্তু গতকাল রাতের বৈঠকের পর তিনি জানিয়ে দিলেন, এদিন দিল্লি যাচ্ছেন না তিনি।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই ফেসবুকে দলের একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভের সুর চড়িয়ে দিল্লির পথে পা বাড়িয়েছিলেন তিনি। ফেসবুকে টলিউড অভিনেত্রী জানান, ‘ইদানীং অনেকে প্রশ্ন করছেন, কেন আমাকে বহু কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে না, আমি তাঁদের বলছি, আমি সর্বত্র যেতে চাই। আপনাদের সঙ্গে থাকতে আমার ভালো লাগে। কিন্তু মনে হয়, কেউ কেউ চায় না, আমি আপনাদের কাছে যাই। বহু কর্মসূচির খবর আমাকে দেওয়াই হয় না। না জানলে আমি যাব কী করে? এই নিয়ে আমারও কষ্ট হয়।’ পাশাপাশি বলা হয়, ‘গত ১০ বছরে আমি বাড়ির থেকে বেশি সময় আপনাদের সঙ্গে কাটিয়েছি। তাই নতুন বছরে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করছি, যাতে আপনাদের সঙ্গে পুরোপুরি থাকতে পারি। আশা করি ভবিষ্যতেও আপনাদের ভালোবাসা পাব।’ তাঁর বক্তব্য, সাংসদ হয়েছেন পরে, তার অনেক আগে থেকেই শুধু শতাব্দী রায় হিসেবে বাংলার মানুষ তাঁকে ভালোবেসে এসেছেন। তিনি বলেন, ‘আমিও আমার কর্তব্যপালনের চেষ্টা করে যাব। যদি কোনও সিদ্ধান্ত নিই, আগামী ১৬ জানুয়ারি শনিবার দুপুর ২টায় জানাব।’ তারাপীঠ উন্নয়ন পর্ষদ থেকেও পদত্যাগের কথা খোদ জানান তৃণমূল সাংসদ। এরপরই শুরু হয় জোর জল্পনা। তবে কী এবার তিনিও বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন? আসরে নামে তৃণমূল। কুণাল ঘোষকে শতাব্দীর বাড়িতে পাঠানোর পাশাপাশি তাঁকে ফোন করেন সাংসদ সৌগত রায় ও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। আসরে নামেন অভিষেকও। শতাব্দীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি। তারপরই শতাব্দীর মত পরিবর্তন হয়। তৃণমূলেই থাকছেন বলেই জানিয়ে দেন তিনি।

- Advertisement -