অস্থায়ী ক্যাম্প তৈরি করে পরীক্ষার্থীদের পাশে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ

78

গাজোল: করোনা পরিস্থিতির জেরে স্বাভাবিক হয়নি কলেজের পঠনপাঠন। কলেজে প্রবেশের ক্ষেত্রে এখনও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। যার ফলে পরীক্ষা সহ যাবতীয় কাজকর্ম চলছে অনলাইনে। এরই মধ্যে মঙ্গলবার থেকে শুরু হল গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ প্রতিটি কলেজের প্রথম বর্ষের প্রথম সিমেস্টার। গাজোল কলেজের সিংহভাগ ছাত্রছাত্রী অনলাইনে বাড়িতে বসে পরীক্ষা দিলেও প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকায় যেসমস্ত ছাত্রছাত্রীরা থাকে তাদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। ইন্টারনেটের সমস্যার জন্য বাড়িতে বসে পরীক্ষা দিতে পারছে না তারা। যার ফলে কয়েকশো ছাত্রছাত্রী ভিড় জমাচ্ছে বিভিন্ন সাইবার ক্যাফে কিংবা কলেজ ক্যাম্পাসে। ইন্টারনেটের সমস্যার কারণে কিংবা মোবাইলের সমস্যার কারণে বহু ছাত্রছাত্রী এর আগে কলেজ ক্যাম্পাসে পরীক্ষা দিত। কিন্তু নতুন নিয়ম অনুযায়ী কলেজ ক্যাম্পাসে পরীক্ষা দেওয়া যাবে না। কলেজ কর্তৃপক্ষের তরফে এই ঘোষণা হতেই কলেজে আসা ছাত্রছাত্রীরা কলেজ ক্যাম্পাসের আশেপাশে ফাঁকা মাঠে কিংবা কোনও গাছের তলায় বসে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কিন্তু খোলা আকাশের নীচে পরীক্ষা দিতে গিয়ে চরম অসুবিধার সম্মুখিন হতে হচ্ছিল তাদের। বিশেষ করে চড়া রোদের কারণে পরীক্ষা দিতে গিয়ে নাজেহাল হয়ে পড়েছিল ছাত্রছাত্রীরা। এই জায়গায় দাঁড়িয়ে এই সমস্ত ছাত্রছাত্রীদের পাশে এসে দাঁড়াল মালদা জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদ।

জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি প্রসূন রায়ের উদ্যোগে গাজোল মহাবিদ্যালয় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের তরফে কলেজ ক্যাম্পাসের বাইরে দুটি অস্থায়ী ক্যাম্প করা হয়। এই অস্থায়ী ক্যাম্পের নীচে ছায়ায় বসে পরীক্ষা দিতে দেখা যায় প্রায় শ’তিনেক ছাত্রছাত্রীকে। পাশাপাশি যে সমস্ত ছাত্রছাত্রীরা এদিন পরীক্ষা দেয় তাদের গাজোল কলেজ তৃণমূল ছাত্র পরিষদের তরফে বাতাসা ও জল খাওয়ানো হয়। এছাড়া যে সমস্ত ছাত্রছাত্রীদের উত্তরপত্র আপলোড করতে সমস্যা হচ্ছিল তাদেরও সাধ্যমত সাহায্য করা হয়।

- Advertisement -

তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এই উদ্যোগে খুশি ছাত্রছাত্রীরা। তারা জানিয়েছে, খোলা আকাশের নীচে চড়া রোদ মাথায় নিয়ে পরীক্ষা দিতে গিয়ে চরম সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছিল তাদের। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের তরফে ছাউনির ব্যবস্থা করে দেওয়ায় অনেক সুবিধে হয়েছে।