‘হোঁদল কুতকুত, কিম্ভুত কিমাকার’ বলে কাকে আক্রমণ মমতার?

190

উত্তরবঙ্গ সংবাদ নিউজ: দেশে এখন দুটো নেতা। একটা নেতা হচ্ছে হোঁদল কুতকুত। আরেকটা নেতা হচ্ছে কিম্ভূতকিমাকার। হুগলির সাহাগঞ্জে রাজনৈতিক জনসভার মঞ্চ থেকে নাম না করে একযোগে মোদি-শা’কে আক্রমণ করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবারই সাহাগঞ্জের সভা মঞ্চ থেকে একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার সেই সাহাগঞ্জের মাটিতে দাঁড়িয়েই জোর জবাব দিলেন মমতা। একইসঙ্গে একাধিক ইস্যুতে প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আক্রমণ শানাতে ভুল করেননি।

মোদির সভার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই পাল্টা সভা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। একাধিক ইস্যুতে তোপ দাগার পাশাপাশি বিজেপি শাসিত রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা ইস্যুতে প্রশ্ন তুলে ধরেন তিনি। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীকে তোপ দেগে বলেন, ‘দালালি ছাড়া আর কোনোও কাজ নেই। ভালোর স্বার্থে কখনও কখনও দু-একটা এদিক ওদিক বলি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মিথ্যা বলেন! আমি পদটাকে সম্মান করি’।

- Advertisement -

অন্যদিকে, এদিনের সভামঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বলেন, ‘খেলা হবে। এবারও খেলা হবে। আমি থাকব গোলরক্ষক। একটাও গোল করতে পারবেন না। ’ এরপরেই মোদির বাঙালী প্রীতিকে কটাক্ষ করে মমতা দাবি করেন, এখানে বলতে এলে মাইকের সামনে ট্রান্সপারেন্ট গ্লাস থাকে। সেটা দেখে দেখে দু’-একটা বাংলা বলেন। এই দু’-এক লাইন বাংলা বলে রাজ্যের মানুষের মন জয় করা যাবে না।

এদিন মমতার উপস্থিতিতে সাহাগঞ্জের সভাতেই তৃণমূলে শিবিরে নাম লেখালেন এক ঝাঁক টলি তারকা। সেই তালিকায় রয়েছেন সায়নী ঘোষ, রাজ চক্রবর্তী, জুন মাল্য, কাঞ্চন মল্লিক এবং মানালি দে। পাশাপাশি এদিন তৃণমূল শিবিরে যোগ দিলেন ভারতীয় ক্রিকেটার মনোজ তিওয়ারি এবং ফুটবলার সৌমিক দে।