আপাতত অলিম্পিকে দর্শকের উপস্থিতিতে ছাড়

টোকিও : টোকিও গেমসে ১০ হাজার স্থানীয় দর্শকের উপস্থিতির পক্ষে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অলিম্পিক আয়োজকরা। তবে একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, গেমস শুরুর আগে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। করোনা পরিস্থিতির অবনতি হলে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে। গেমসে বিদেশী দর্শকের উপস্থিতির উপর আগেই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

করোনাকালে জাপানে অলিম্পিক আয়োজক নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি চিকিৎসকদের একাংশ আপত্তি জানিয়েছেন। এমনকি গত সপ্তাহে এক রিপোর্টে সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টারা জানান, দর্শকশূন্য অলিম্পিক হলে ঝুঁকি কিছুটা কমবে। যদিও সেই পথে হাটতে নারাজ আয়োজকরা। সোমবার কমিটির বিবৃতি, অলিম্পিকের বিভিন্ন ইভেন্টে দর্শক উপস্থিত থাকবে। ১০ হাজার বা স্টেডিয়ামের দর্শকাসনের ৫০ শতাংশের মধ্যে যেটা কম হবে, সেই সংখ্যক দর্শক প্রবেশে ছাড়পত্র দেওয়া হচ্ছে। তবে দর্শকদের করোনা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিধি মেনে চলতে হবে। এ প্রসঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা আগে জানিয়েছিলেন, তিনি গেমস দর্শক প্রবেশের পক্ষে। তবে কোনও অবস্থাতেই স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার সঙ্গে আপোস করা হবে না। টোকিওর গভর্নর ইউরিকো কোইকেও সংক্রমণের হার বাড়লে সিদ্ধান্ত বদলের পক্ষে।

- Advertisement -

তবে আয়োজকদের আশ্বাস সত্ত্বেও উগান্ডার দলের এক কোচের সংক্রমণ সামনে আসায় অলিম্পিক নিয়ে বিতর্ক আরও বেড়েছে। টোকিওর নারিতা বিমানবন্দরে পৌঁছনোর পর পরীক্ষায় দেখা যায় তিনি পজিটিভ। যদিও দেশ ছাড়ার আগে করোনা পরীক্ষায় তাঁর সংক্রমণ ধরা পড়েনি। এমনকি তিনি টিকাও নিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে জাপানের বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা তথা আইনসভার সদস্য রেনহো সাইতোর টুইট, সকলের এটা নিয়ে ভাবার সময় এসেছে। এখন ৯ জন এসেছে। অলিম্পিকের জন্য একলক্ষ বিদেশী আসবে। ফলে অলিম্পিক আমাদের সন্তানদের জন্য কতটা দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা হবে, তা নিয়ে আলোচনা করে সময় নষ্ট করা ঠিক নয়। উগান্ডার অলিম্পিক দলের ওই সদস্য আপাতত সরকারি কোয়ারান্টিন সেন্টারে আছেন।