বকেয়া বেতনের দাবিতে বিক্ষোভে টোলপ্লাজা কর্মীরা

173

গাজোল: বকেয়া বেতন প্রদান ও পিএফ সমস্যা সমাধানের দাবিতে বিক্ষোভ দেখালেন টোলপ্লাজা কর্মীরা। বৃস্পতিবার গাজোল টোল প্লাজার সামনের ঘটনা। গাজোল ব্লক তৃণমূল ট্রেড ইউনিয়নের নেতৃত্বে বিক্ষোভে নামেন কর্মীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ বাহিনী মোতায়েন ছিল।

বিক্ষোভকারীদের দাবি, বিক্ষোভের শুরুতেই টোল প্লাজা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চান কর্মীরা। কিন্তু, টোলপ্লাজা কর্তৃপক্ষ আলোচনায় বসতে অস্বীকার করে। পরে দাবিতে অনড় থাকতে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান শ্রমিকেরা।

- Advertisement -

তাঁদের অভিযোগ, গত তিন-চার মাসের বেতন সেওয়া হয়নি। প্রভিডেন্ট ফান্ডের অ্যাকাউন্টেও কোনও প্রকার আপডেট হয়নি। শ্রমিকদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের পে স্লিপও দেওয়া হয় না। অথচ, প্রায় চার বছর ধরে বিভিন্ন কোম্পানির অধীনে কয়েকশো শ্রমিক এখানে কাজ করেন। শুধু তাই নয়, বাঙালি হওয়ায় তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়। ন্যায্য দাবি জানাতে গেলে ছাঁটাইয়ের হুমকিও শুনতে হয় বলে বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ।

এমনকি, টোলপ্লাজার ব্যারিয়ার ভেঙে কোনও গাড়ি পালিয়ে গেলে, টোলট্যাক্সের টাকা কর্মরত টোলপ্লাজা কর্মীদের দিতে হয়। এই ভাবে গত তিন মাসে প্রায় ৭৯,২১০ টাকা শ্রমিকদের বেতন থেকে কেটে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু, পালিয়ে যাওয়া গাড়ি গুলি পুনরায় আসলে পুরানো টাকা আদায় করা হয়েছে। ইতিমধ্যে, প্রায় ৫০ হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে। অথচ, কিন্তু কর্মীদের বেতন থেকে কেটে নেওয়া টাকা ফেরৎ দেওয়া হয়নি।

আইএনটিটিইউসি’র ব্লক সভাপতি অরবিন্দ ঘোষ বলেন, প্রায় ২০০-২৫০ কর্মী কাজ করেন। তাঁদের কাউকেই স্থায়ীকর্মী হিসাবে নিয়োগ করা হয়নি। বেতন দেওয়া হচ্ছে না। পিএফ নিয়েও টালবাহানা চলে। এই সব সমস্যা নিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চাওয়া হলেও কর্তৃপক্ষ প্রথমে রাজি হননি। বিক্ষোভের জেরে আগামী ১৫ জুলাই আলোচনায় বসবেন বলে জানানো হয়েছে। সেই বৈঠকে কোনও সমাধান সূত্র বের না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব। এই বিষয়ে টোল প্লাজা কর্তৃপক্ষ মতামত জানাতে রাজি হননি।