কার্যত লকডাউনে কর্মীদের বেতন দেওয়া নিয়ে চিন্তায় পর্যটন ব্যবসায়ীরা

109
চালসা: করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জেরে মুখ থুবড়ে পড়েছে ডুয়ার্সের পর্যটন ব্যবসা। রিসোর্ট খোলা থাকলেও গাড়ি ও জঙ্গল বন্ধের জন্য পর্যটক আসছে না। ১৫ জুন পর্যন্ত কার্যত লকডাউন বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এই পরিস্থিতিতে রিসোর্টের কর্মীদের বেতন দেওয়া নিয়ে চিন্তায় পড়েছে রিসোর্ট মালিকেরা। তার ওপরে বিদ্যুতের ওপর কোনও ছাড় দেওয়া হয়নি। দিতে হবে জমির খাজনাও। এখন শুধুমাত্র হাতে গোনা আশপাশের কয়েকজন পর্যটক আসছে। গরুমারা ও চাপরামরি অভয়ারণ্যকে কেন্দ্র করে মেটেলি ব্লকের মূর্তি, বাতাবাড়ি, ধূপঝোরা, চালসা, মঙ্গলবাড়ি, মাথাচুলকা এলাকায় শতাধিক বেসরকারি রিসোর্ট রয়েছে।
রিসোর্ট মালিকদের সংগঠন গরুমারা টুরিসাম ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক দেবকমল মিশ্র বলেন, ‘করোনার প্রথম ঢেউয়ের ক্ষতি এখনও পূরণ হয়নি। তার ওপরে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্য পর্যটক আসছে না। সব বুকিং বাতিল হয়েছে। কর্মীদের বেতন দেব কি করে। রয়েছে বিদ্যুতের বিল। পর্যটন ব্যবসায়ীদের দিকে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে মুখ তুলে দেখার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।’
এক পর্যটন ব্যবসায়ী শেখ জিয়াউর রহমান বলেন, ‘ডুয়ার্সের পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে রিসোর্ট মালিক ছাড়াও পত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বহু মানুষ জড়িত। তারা এখন সকলই কর্মহীন। কার্যত লকডাউনে পর্যটন ব্যবসায় সব মিলিয়ে কয়েক কোটি টাকার লোকসান হল। কবে আবার পর্যটন ব্যবসা স্বাভাবিক হয় তার দিকেই তাকিয়ে এখন পর্যটন মহল।’