পর্যটনকেন্দ্র পরিদর্শনে ডুয়ার্সে প্রতিনিধি দল

170

চালসা: করোনার জন্য মুখ থুবড়ে পড়েছে ডুয়ার্সের পর্যটন ব্যবসা। রিসর্ট মালিকদের পাশাপাশি বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্টরাও ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। সরকারি বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল হতেই ফের পর্যটকরা আসা শুরু করলেও বহিরাগত পর্যটকরা সেই সংখ্যায় আসছে না। করোনা পরিস্থিতির প্রায় দেড় বছর পরে ডুয়ার্সের পর্যটনকেন্দ্র গুলো কতটা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে তা খতিয়ে দেখার জন্য ট্রাভেল এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গলের ১৮ জনের প্রতিনিধি দল আসল ডুয়ার্সে। ডুয়ার্সের বিভিন্ন পুরোনো পর্যটনকেন্দ্রের পাশাপাশি নতুন পর্যটনকেন্দ্রগুলি ঘুরে দেখছে তাঁরা। দু’দিনের ওই সফরে পর্যটনকেন্দ্র ছাড়াও বিভিন্ন রিসর্টের স্বাস্থ্যবিধির দিকও ক্ষতিয়ে দেখছে তাঁরা।

অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নিলাঞ্জন বসু বলেন, ‘করোনার জন্য দীর্ঘ প্রায় দের বছর ধরে পর্যটন ব্যবসা বন্ধ। বহিরাগত পর্যটকরা আসছে না। ফের ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করছে পর্যটন ব্যবসা। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তের ১৮ জনের প্রতিনিধি দল ডুয়ার্সের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র সহ রিসর্ট পরিদর্শন করার জন্য ডুয়ার্সে এসেছে। যাবতীয় দিক খতিয়ে দেখে কলকাতায় ফিরে গিয়ে সেখান থেকে পর্যটক পাঠাবো। ডুয়ার্সের নতুন নতুন পর্যটনকেন্দ্রগুলোকেও রাজ্যের পর্যটকদের কাছে তুলে ধরা হবে।’

- Advertisement -

ডুয়ার্সের পর্যটন ব্যবসায়ী সায়ন চক্রবর্তী, অঞ্জন সাহা, সোনা হোসেনরা জানান, ইতিমধ্যে ওই প্রতিনিধিরা ডুয়ার্সের সাকাম, রকি আইল্যান্ড, মূর্তি, আম্বাচপল, ছাওয়াফেলি, পাথরঝোরা ইত্যাদি এলাকা পরিদর্শন করেছে। ওই প্রতিনিধি দলে কলকাতা সহ কল্যাণী, বারাসাত, ডানলপ, তমলুক ইত্যাদি এলাকার ট্রাভেল এজেন্টরা আছে।