পাহাড়ি পথে ট্রেকিং, পর্যটকদের জন্য নতুন ঝরনার সন্ধান

328
পাহাড়ি পথে ডেরা জলপ্রপাতের ঝরনার পথের ট্রেকিং

বিদেশ বসু, মালবাজার: কালিম্পং জেলার অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সমৃদ্ধ পাহাড়ী গ্রাম গরুবাথান টার। পাহাড়ের চূড়ায় এখানকার ধাপ সমৃদ্ধ ভূমি পর্যটকদের কাছে সমাদৃত। এবার টার থেকে পাহাড়ের ঝোপঝাড় পূর্ণ চড়াই উতরাই পথ হেঁটে নতুন ট্রেকিং রুটের সন্ধান চলল। শুক্রবার গরুবাথান টার থেকে ডেরা ঝরনা পর্যন্ত পাহাড়ি পথে ট্রেকিং এর সামিল হয়েছিলেন মালবাজার তথা গরুবাথান এলাকার ভ্রমণপিপাসু বাসিন্দারা। উদ্যোগীদের আশা এ ধরনের নতুন পথের সন্ধান পর্যটনের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলবে। অ্যাডভেঞ্চার পর্যটনও জনপ্রিয়তা পাবে।

পাহাড়ি পথে ট্রেকিং, পর্যটকদের জন্য নতুন ঝরনার সন্ধান| Uttarbanga Sambad | Latest Bengali News | বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর | Live Breaking News North Bengal | COVID-19 Latest Report From Northbengal West Bengal India
পাহাড়ি পথে ডেরা জলপ্রপাতের ঝরনার পথের ট্রেকিং

টারের স্থানীয় পর্যটনদ্যোগী প্রদর্শন ক্রান্তি রাই, বর্ষা ছেত্রী, ওঙ্গদেন মোলামোই এই ট্রেকিং-এর উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তাতে মালবাজারের মাউন্টেন ট্রেকাস ফাউন্ডেশন এবং ভ্রমণপিপাসু বাসিন্দারা সামিল হন। টারের ধানের পাশাপাশি ঝাড়ু, এলাচ, তেজপাতা, আদা ইত্যাদির ফসলের চাষাবাদ হয়। পাহাড়ী ধাপে ধাপে শস্যখেত গুলির সৌন্দর্য অপরূপ। প্রজাপতি, পাখি, প্রাণীর বৈচিত্রতা আছে। এবার পর্যটনকেন্দ্র এলাকাটি নতুনভাবে সাড়া ফেলতে চাচ্ছে। এলাকায় ওঙ্গদেন মোলামো হোম স্টে চালাচ্ছেন। ওঙ্গদেন ব্লেম, আমরা পর্যটকদের জন্য নতুন পথের উদ্যোগ নিয়েছি। তাই আজকে এই ট্রেকিং করা হয়েছে। ভালই সাড়া মিলেছে।

- Advertisement -

প্রদর্শন কান্তি রাইদের বক্তব্য, ‘এখানে তাঁবু খাটিয়ে থেকে অ্যাডভেঞ্চার ট্রেকিং করা যেতে পারে। আমরা আজকে এই ট্রেকিংর মাধ্যমে নতুন একটি রুটের সন্ধান করেছি।’

মালবাজারের মাউন্টেন ট্রাকার ট্রেকার্স ফাউন্ডেশনের সম্পাদক স্বরূপ মিত্র বলেন, ‘ট্রেকিং পথটি পাহাড়ী চড়াই-উৎরাই এবং ঝোপঝাড়ের মধ্যে দিয়েছিল। তাই একটু কষ্টসাধ্য। তবে সকলেই এখানকার প্রাকৃতিক বৈচিত্র উপভোগ করতে পারেন। স্থানীয় গাইডদের সহযোগিতায় এ ধরনের ট্রেকিং করা উচিত। আমরাও এধরনের উদ্যোগে সহযোগিতা করব।‘

মাল শহরের রাজাপাড়া এলাকার গৃহবধূ রিংকি রায় বলেন, ‘আমিও আজকের ট্রেকিংয়ে অংশ নিয়েছি। এ ধরনের অভিজ্ঞতা প্রথম। দারুন রোমাঞ্চকর। এখন পাহাড়ে শীতের সময়। তাই ঝরনাতে জল কম ছিল। তবু ঝরনা উপভোগ্য।‘