ধান না কাটায় বাঁশপেটা করে খুনের চেষ্টা গৃহবধূকে

334

রায়গঞ্জ: ধান না কাটায় বাঁশপেটা করে খুন করার চেষ্টার অভিযোগ উঠল স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এদিন রাত ৮টা নাগাদ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। গুরুতর জখম অবস্থায় ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে তাঁর অবস্থা ক্রমশ অবনতি হওয়ায় উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজে রেফার করেছে কর্তব্যরত শল্য চিকিৎসক। জখম ওই গৃহবধূর নাম মুসলেমা খাতুন বাড়ি উত্তর দিনাজপুর জেলার হেমতাবাদ থানার বামোইর গ্রামে। অভিযুক্ত প্রভাবশালী হুমায়ুন কোবির ও তাঁর সঙ্গীরা গা ঢাকা দিয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জখম ওই গৃহবধূর এদিন সকালে স্থানীয় প্রভাবশালী হুমায়ুন কবিরের জমিতে ধান কাটার কথা ছিল। কিন্তু ওই গৃহবধূ ধান না কাটায় যাবতীয় গণ্ডগোলের সূত্রপাত। এদিন রাত ৮টা নাগাদ হুমায়ুন কবির ও তার দলবল ওই গৃহবধূর বাড়ি ভাঙচুর করে এবং গৃহবধূকে বাঁশপেটা করে। সেই সময় বাড়িতে ছিল ওই গৃহবধূর স্বামী ওসমান গনি তাঁর চিৎকারে ছুটে আসে গ্রামের বাসিন্দারা। এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় গৃহবধূকে প্রথমে হেমতাবাদ গ্রামীণ হাসপাতালে সেখান থেকে রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে।

- Advertisement -

কর্তব্যরত শল্যচিকিৎসক রাজা বসাক বলেন, ওই গৃহবধূর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হচ্ছে সেই কারণে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজে রেফার করা হয়েছে। ওই গৃহবধূর স্বামী ওসমান গনি বলেন, ‘আমার কোনও ছেলে নেই। একমাত্র মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। এদিন আমার স্ত্রীর হুমায়ুন কবিরের জমিতে ধান কাটার কথা ছিল। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার জন্য ধান কাটতে পারেনি। সেই কারণে বাড়ি ভাঙচুর করার পাশাপাশি আমার স্ত্রীকে বাঁশ দিয়ে মাথায় আঘাত করে খুন করার চেষ্টা করে। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় হেমতাবাদ থানার পুলিশ। যদিও অভিযুক্ত হুমায়ুন কবির ও তার সঙ্গীদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি।