যুব মোর্চার রাজ্য কমিটির সদস্যকে ছুরি মারার অভিযোগ

54

ধূপগুড়ি: বিজেপি যুব মোর্চার রাজ্য কমিটির সদস্য রণজিৎ ঘোষকে ছুরি মারার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। বিজেপির জখম যুব নেতাকে প্রথমে ধূপগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। তাঁর মুখ ও গলায় একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন রাত সাড়ে দশটা নাগাদ রণজিৎ-এর ওপর আক্রমণ হয়। পুর এলাকার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের শ্যাওড়াতলা এলাকার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ রায় (পুচুন) নামে এক যুবক দলবল নিয়ে তাঁকে আক্রমণ করে বলে অভিযোগ। মারধরের পাশাপাশি তাঁকে ধারালো কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়। এদিন ধূপগুড়ি হাসপাতালে রণজিৎ বলেন, ‘প্রথমে আমাকে বিজেপি করার জন্য হুমকি দেওয়া হয়। কিছু বলার আগেই আরও কয়েকজন এসে আমার ওপর চড়াও হয়। ওদের সরিয়ে দিতে চাইলে পুচুন আমার মুখে ছোট ছুরি দিয়ে আঘাত করে। আমি পড়ে গেলে সবাই মিলে মারতে শুরু করে। আশেপাশের দলীয় কর্মীরা ছুটে এলে ওরা পালায়। কিন্তু বিজেপি না ছাড়লে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে যায়।’ যার বিরুদ্ধে আক্রমণের অভিযোগ তার সঙ্গে চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা যায়নি।

- Advertisement -

এদিকে, দলের নেতা আক্রান্ত হওয়ার খবরে এদিন উত্তেজিত বিজেপি কর্মীরা হাসপাতালে ভিড় করেন। ধূপগুড়ির বিজেপি প্রার্থী বিষ্ণুপদ রায় বলেন, ‘ভোটে নিশ্চিত হার জেনে তৃণমূল সন্ত্রাস সৃষ্টির জন্য এই কাজ করেছে। এই ঘটনায় আমাদের কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে পড়েছেন। আমরা তাঁদের মাথা ঠান্ডা রাখার কথা বলেছি। কিন্তু ঘটনায় জড়িত তৃণমূলী গুন্ডাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার না করা হলে আমরা চুপ করে থাকব না।’

তবে এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির যোগ নেই বলেই জানান তৃণমূল নেতারা। দলের বিধানসভা কমিটির চেয়ারম্যান রাজেশকুমার সিং বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছু জানি না। তবে প্রাথমিকভাবে যেটুকু জেনেছি, এর সঙ্গে রাজিনীতির কোনও যোগ নেই। আশা করব, তদন্তে গোটা বিষয়টি পরিষ্কার হবে।’

বিজেপি সূত্রের খবর, এদিনই দলের তরফে ধূপগুড়ি থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো হচ্ছে। তবে ভোট ও হোলির আগে এই ঘটনায় ধূপগুড়ির রাজনৈতিক উত্তাপ অনেকটাই বাড়বে বলে অনুমান ওয়াকিবহাল মহলের।