যুব মোর্চার রাজ্য কমিটির সদস্যকে ছুরি মারার অভিযোগ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

46

ধূপগুড়ি: বিজেপি যুব মোর্চার রাজ্য কমিটির সদস্য রণজিৎ ঘোষকে ছুরি মারার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। বর্তমানে জখম বিজেপি যুব নেতা ধূপগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তাঁর মুখে ও গলায় একাধিক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। জানা গিয়েছে, এদিন রাত ১০:৩০ নাগাদ প্রচার দাড়ালে তাঁর ওপর আক্রমণ হয়। পুর এলাকার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের শ্যাওড়াতলা এলাকার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ রায় (পুচুন) নামে এক যুবক দলবল নিয়ে তাকে আক্রমণ করে বলে খবর। মারধোরের পাশাপাশি তাঁর চোখের ওপরে গালে এবং গলায় ধারালো কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়।

এদিন ধূপগুড়ি হাসপাতালে রণজিৎ ঘোষ বলেন, ‘প্রথমে আমাকে বিজেপি করার জন্যে হুমকি দেয় এবং কিছু বলার আগেই আরও কয়েকজনকে নিয়ে চড়াও হয় আমার ওপর৷ ওদের সড়িয়ে দিতে চাইলে পুচুন আমার মুখে ছোট ছুরি দিয়ে আঘাত করে। আমি পড়ে গেলে সবাই মিলে মারতে শুরু করে। আশেপাশে দলীয় কর্মীরা ছুটে এলে ওরা পালায়। কিন্তু বিজেপি না ছাড়লে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে যায়।’

- Advertisement -

এদিকে যার বিরুদ্ধে আক্রমণের অভিযোগ তাঁর সঙ্গে চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা যায়নি। এদিকে দলের নেতা আক্রান্ত হওয়ার খবরে এদিন ব্যাপক হারে উত্তেজিত বিজেপি কর্মীরা ভিড় করেন হাসপাতালে।

দলের যুব নেতা আক্রান্ত হওয়ার খবরে ধূপগুড়ির বিজেপি প্রার্থী বিষ্ণুপদ রায় বলেন, ‘ভোটে নিশ্চিত হার জেনে তৃণমূল সন্ত্রাস সৃষ্টির জন্যে এই নক্কারজনক কাজ শুরু করেছে। আমাদের কর্মীরা এই ঘটনায় উত্তেজিত হয়ে পড়েছেন। আমরা তাদের মাথা ঠান্ডা রাখার কথা বলেছি। কিন্তু এই ঘটনায় জড়িত তৃণমূলী গুন্ডাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার না করা হলে আমরা চুপ করে থাকব না। তবে এই ঘটনার সাথে রাজনীতির যোগ নেই বলেই জানান তৃণমূল নেতারা।’

দলের বিধানসভা কমিটির চেয়ারম্যান রাজেশ কুমার সিং বলেন, ‘ঘটনা নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানিনা এখনও। তবে প্রাথমিক ভাবে যেটুকু জেনেছি এর সাথে রাজিনীতির কোন যোগ নেই। আশা করব আইনি তদন্তে পুরোটা পরিস্কার হবে।’

বিজেপি সূত্রে খবর, এদিনই দলের তরফে ধূপগুড়ি থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো হচ্ছে। তবে ভোট ও হোলির আগে এই ঘটনায় ধূপগুড়ির রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়বে বলেই আশঙ্কা করছেন সকলে।