তৃণমূলের বুথ সভাপতির বাড়িতে হামলা, ধৃত ৩

100

বক্সিরহাট: প্রতিমা নিরঞ্জন চলাকালে শনিবার রাতে তৃণমূলের বুথ সভাপতি জয়ন্তী সাহা সহ তাঁর প্রতিবেশীর বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দুষ্কৃতী হামলার অভিযোগ উঠল টাটেরকুঠি এলাকায়। তৃণমূলের অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা বিজেপি আশ্রিত। অন্যদিকে, হামলার ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে রাজনীতির রং লাগানোর অভিযোগ তোলা হয়েছে বিজেপির তরফে। ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে বক্সিরহাট থানার পুলিশ। ইতিমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রবিবার ধৃতদের তুফানগঞ্জ মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়। বিচারক ধৃতদের আটদিনের জেল হেপাজতের নির্দেশ দেন।

অভিযোগ, মহিষকুচি-২ অঞ্চলের টাটেরকুঠি গ্রামে স্থানীয় একটি ক্লাবের দুর্গা প্রতিমা নিরঞ্জন চলছিল সেদিন। সেসময় ৯/৪১ নম্বর বুথের তৃণমূল সভাপতি জয়ন্তী সাহা সহ তাঁর প্রতিবেশীর বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ১০-১২ জন দুষ্কৃতী হামালা চালায়। জয়ন্তীদেবী জানান, দুষ্কৃতীরা ভাংচুর করার পাশাপাশি টাকা দাবি করে। সেসময় তিনি বাড়িতে একাই ছিলেন। দুষ্কৃতীরা তাঁকে মারধর ও শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা করে এবং কিছু জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে পৌঁছে এক দুষ্কৃতীকে পাকড়াও করে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই দুষ্কৃতী সহ আরও দু’জনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে প্রাণে মারার উদ্দেশ্যেই বিজেপির লোকেরা পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছিল। ঘটনায় বক্সিরহাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।

- Advertisement -

মহিষকুচি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান অতুলচন্দ্র সাহা অভিযোগ করে জানান, তৃণমূল করার জন্যই বিজেপির লোকেরা চক্রান্ত করে দলের সভানেত্রী জয়ন্তী সাহার বাড়িতে হামলা চালায় ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। তৃণমূলের তরফে ওঠা অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করে বিজেপির তুফানগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রীক সংযোজক বিমল পাল বলেন, ‘বিধানসভার ফল ঘোষণার পর থেকেই তৃণমূল একের পর এক বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দিচ্ছে। এই ঘটনাও তার একটি উদাহরণ।’ তাঁর কথায়, কে বা কারা মদ খেয়ে তাণ্ডব চালিয়েছে। তাতে তৃণমূল রাজনীতির রং লাগিয়ে সেটা বিজেপির ঘাড়ে চাপিয়ে দিচ্ছে। এভাবেই তারা সন্ত্রাস করে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে জয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে।