তৃণমূলের শহিদ দিবসকে কেন্দ্র করে পাড়ায় পাড়ায় উদ্দীপনা কলকাতায়

107

কলকাতা: আজ ২১ জুলাই। তৃণমূল কংগ্রেসের শহিদ দিবস। ১৯৯৩ সালে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তখন ছিলেন যুব কংগ্রেসের রাজ্য সভানেত্রী। সেই সময় ‘নো আইডি, নো ভোট’ শ্লোগান তুলে মহাকরণ অভিযানের ডাক দিয়েছিলেন তিনি। সেই কর্মসূচিতে পুলিশের গুলিতে মারা গিয়েছিলেন ১৩ জন যুব কংগ্রেস কর্মী। এরপর থেকেই ২১ জুলাইকে শহিদ দিবস হিসেবে পালন করেন মমতা।

কিন্তু এবছর করোনা মহামারির জেরে প্রকাশ্যে সমাবেশের ডাক দেননি তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভার্চুয়াল জনসভা করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর ভার্চুয়াল জনসভাকে কেন্দ্র করে হই হই পড়ে গিয়েছে রাজ্য জুড়ে। শুধু এরাজ্যেই নয়, দেশের রাজধানী দিল্লি সহ একাধিক রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ভার্চুয়াল সভার বক্তব্য শোনার জন্য জায়ান্ট স্ক্রিন লাগিয়ে বসে পড়েন তৃণমূল কংগ্রেস থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা।

- Advertisement -

এই ভার্চুয়াল জনসভাকে কেন্দ্র করে বুধবার সকাল থেকে কলকাতার বিভিন্ন পাড়ায় পাড়ায় শুরু হয়ে যায় তৎপরতা। জায়েন্ট স্ক্রিন লাগিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর জনসভা জনসমক্ষে নিয়ে আসার জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। তবে তৃণমূল কংগ্রেসের ডাকা শহিদ সমাবেশকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপির তরফে হেস্টিংসের দলীয় দপ্তরেও অনুরূপ একটি ভার্চুয়াল জনসভা বসে।

তৃতীয় বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পর নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতিতে দলের ১৭০ জনেরও বেশি নেতাকর্মী খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিজেপি নেতারা। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই বিজেপির তরফে শহিদ স্মরণ দিবস পালন করা হয়। শুধু কলকাতাই নয় দিল্লির রাজঘাটেও শহিদ স্মরণে বসেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ সহ একাধিক সাংসদ ও নেতারা। বিজেপির এই কর্মসূচিকে উপহাস করতে ছাড়েনি তৃণমূল নেতৃত্ব। তৃণমূলের একাধিক নেতা জানান, শহিদদের নিয়ে যেভাবে উপহাস শুরু করেছে বিজেপি তার নিন্দার ভাষা নেই। আসলে তৃণমূল কংগ্রেসের জনপ্রিয়তার ঈর্ষান্বিত হয়ে শহিদদের অপমান করতে তৎপর হয়েছে বিজেপি।