তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের কর্মীসভা

325

ফালাকাটা: জাতীয় নির্বাচন কমিশন ফালাকাটার উপনির্বাচন ঘোষনা না করলেও তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক কর্মসূচি বন্ধ হয়নি। পূর্ব ঘোষনা অনুযায়ী বুধবার ফালাকাটা কমিউনিটি হলে তৃণমূল কংগ্রেসের সংখ্যালঘু সেলের কর্মীসভা অনুষ্টিত হয়। এই কর্মীসভায় মূলত ফালাকাটা ব্লকের ইমাম ও মোয়াজ্জিনরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্রের খবর, আপাতত উপনির্বাচন না হওয়ায় তৃণমূলের নেতাকর্মীদের একাংশ ঝিমিয়ে পড়তে পারেন। সেজন্য এদিনের সভায় দলের জেলা সভাপতি মৃদুল গোস্বামী লাগাতার কর্মসূচির মাধ্যমে কর্মীদের চাঙ্গা থাকার বার্তা দেন।

- Advertisement -

ফালাকাটা বিধান সভা কেন্দ্রে ১৯ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোট রয়েছে। এই ভোটকে টার্গেট করে ছক কষে ময়দানে নেমেছে বিজেপি। তাই বিজেপিকে ঠেকাতে তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেল সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি দলের সংখ্যালঘুর সেলের পূর্ণাঙ্গ জেলা কমিটি গঠিত হয়৷ সংগঠনের জেলা সভাপতি আব্দুল মান্নানের বাড়িও ফালাকাটায়৷ তাঁর নেতৃত্বে উপনির্বাচনকে টার্গেট করে ঘন ঘন বৈঠক চলছিল। এই পরিস্থিতিতে গত মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন ফালাকাটা সহ চার রাজ্যের সাতটি বিধান সভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন ঘোষনা না করায় রাজনৈতিক দলগুলির প্রস্তুতি কিছুটা ধাক্কা খায়।

তাই উপনির্বাচন হচ্ছে না ধরে নিয়ে এখন ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে প্রস্তুতি চালিয়ে যেতে চাইছে সব রাজনৈতিক দল। এজন্য পূর্ব ঘোষনা অনুযায়ী এদিন তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের কর্মীসভা হয়। সভায় সংখ্যালঘু সেলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোলাম নবী আজাদ, জেলা সভাপতি আব্দুল মান্নান, ব্লক সভাপতি আলতাফ হোসেন, তৃণমূলের জেলা সভাপতি মৃদুল গোস্বামী, ব্লক সাধারণ সম্পাদক সুভাষ রায়, সুরেশ লালা, রতন সরকার, যুব তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সঞ্জয় দাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় কর্মীদের উদ্দেশ্যে মৃদুল গোস্বামী বলেন, ‘আজকের সভার মূল কারণ হল আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে। বিজেপির অপপ্রচারে কান দেওয়া যাবে না। ওরা উন্নয়ন ব্যহত করার চেষ্টা করছে।’ উপনির্বাচন ঘোষিত না করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘উপনির্বাচন বাতিল বা স্থগিত রাখার কথা উল্লেখ করা হয়নি। আপাতত ঘোষনা করা হয়নি।’ তাই বিজেপির নাম না করে তিনি বলেন,’ওরা হঠাৎ করে ফের উপনির্বাচন ঘোষনাও করাতে পারে। এজন্য আমাদের দলের কর্মীদের চাঙ্গা থাকতে হবে। যেভাবে কর্মসূচি চলছিল,সেভাবেই চলবে।’ তবে বিজেপির জেলা সহ সভাপতি জয়ন্ত রায় বলেন, ‘উপনির্বাচন হবে কী, হবে না, তা নির্বাচন কমিশনের ব্যাপার। ভোট হলে তৃণমূ্ল হেরে যেত। তাই এসব বলা হচ্ছে। আমাদেরও লাগাতার কর্মসূচি চলতে থাকবে।’