মোদি ও শায়ের প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি হোক, কমিশনে আর্জি তৃণমূলের

75

নয়াদিল্লি: আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে এবার নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শায়ের প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারির আর্জি জানাল তৃণমূল। দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তরে এই অভিযোগ জানায় তৃণমূলের চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। পাশাপাশি বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে সেভাবে সক্রিয় হচ্ছে না কমিশন বলেও অভিযোগ জানান তাঁরা। ফলে বাকি দফার ভোটগুলিতে তাঁদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হোক, এমনটাই চাইছে তৃণমূল।

এদিন তৃণমূলের প্রতিনিধি দলে ছিলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও ব্রায়েন, শান্তনু সেন ও প্রতিমা মণ্ডল। তৃণমূলের অভিযোগপত্রে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দুইটি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শায়ের একটি মন্তব্যের উল্লেখ করে বিধিভঙ্গের অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী গত ১০ এপ্রিল শিলিগুড়ির জনসভায় কোচবিহারের শীতলকুচির ঘটনার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ি করেচিলেন, তিনি বলেছিলেন, ‘’বিজেপির প্রতি জনসমর্থন দেখে দিদি এবং তার গুন্ডারা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে৷ আপনার ক্ষমতা চলে যাচ্ছে দেখে আপনি এই স্তরে নেমে এলেন?’ এছাড়াও তাদের আরও অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী ধর্ম ও জাতপাতের ভিত্তিতে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন। ১২ এপ্রিল কল্যাণীর জনসভায় তিনি বলেছিলেন, ‘দিদি মতুয়া সমাজের জন্যও কিছু করেননি, নমঃশূদ্র ভাইবোনেদের জন্যও কিছু করেননি৷’

- Advertisement -

অমিত শায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ১১ এপ্রিল শান্তিপুরের সভায় তিনি বলেছিলেন, ‘কোচবিহারে মৃত আনন্দ বর্মণের মৃত্যুতে সমবেদনা জানাননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কারণ তিনি রাজবংশী সমাজের এক যুবক৷ ’ শাসক দলের দাবি সেই ঘটনায় সমবেদনা জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।