তৃণমূল যুব নেতা খুনে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি অনুব্রতর

135

বর্ধমান: তৃণমূলের যুব নেতাকে গুলি করে খুনের পর দু’দিন পেরিয়ে গেলেও খুনিরা কেউ ধরা পড়েনি। এতে ক্ষুব্ধ তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। গত মঙ্গলবার খুন হন পূর্ব বর্ধমান জেলার আউসগ্রামের যুব নেতা চঞ্চল বক্সি। তিনি দেবশালা অঞ্চলের প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি। খুনের দু’দিন পরও দোষীরা অধরা। বৃহস্পতিবার অনুব্রত পুলিশকে কড়া ভাষায় জানিয়েছেন, চঞ্চল বক্সি খুনে জড়িতদের ১৫ দিনের মধ্যে গ্রেপ্তার করতে হবে। একই সঙ্গে অনুব্রতর মন্তব্য, খুনি যদি তাঁদের দলের কেউ হয় তবে তাকে গুলি করে মেরে দেওয়া উচিত।

আউসগ্রামের তৃণমূল নেতৃত্ব জানিয়েছেন, মঙ্গলবার আউসগ্রাম ২ ব্লকের গেঁড়াইয়ে দলীয় বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন ব্লকের দেবশালা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শ্যামল বক্সি ও তাঁর ছেলে চঞ্চল বক্সি (৪৪)। বৈঠক শেষে দুপুর ৩টে নাগাদ বাবা ও ছেলে একটি বাইকে চেপে দেবশালা গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন। বাইক চালাচ্ছিলেন চঞ্চল। গেঁড়াই-মানকর রোডে উলুগড়িয়া জঙ্গলের কাছে দুষ্কৃতীরা তাঁদের লক্ষ্য করে পর পর গুলি চালায়। এতে শ্যামলবাবু বাইক থেকে পড়ে যান। চঞ্চলের বুকে ও হাতে তিনটি গুলি লাগে। তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় বাসিন্দারা জামতারা  হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক চঞ্চলবাবুকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর ভাই রাহুল বক্সি বুধবার পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ সুপারের কাছে দাদাকে খুনের অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আউসগ্রাম থানার পুলিশ মামলা রুজু করে। তদন্তের জন্য দুই বর্ধমান জেলার পুলিশকে নিয়ে সিট গঠন করা হয়েছে। যদিও দোষীরা অধরা।

- Advertisement -

এদিন নিহত চঞ্চল বক্সির বাড়িতে গিয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি তথা আউসগ্রামের পর্যবেক্ষক অনুব্রত মণ্ডল। চঞ্চলবাবুর বাবা শ্যামল বক্সি জানান, তাঁর ছেলেকে বিজেপি বা সিপিএমের কেউ খুন করেছে বলে তিনি মনে করেন না। উল্টে তিনি দাবি করেন, খুনিরা সমাজ বিরোধী হতে পারে, আবার তৃণমূলের কেউও হতে পারে। তিনি চান, দোষীরা শাস্তি পাক।