পুলিশের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ, বিক্ষোভ ট্রাক মালিকদের

209

চ্যাংরাবান্ধা: পুলিশের বিরুদ্ধে জুলুমবাজি সহ একগুচ্ছ অভিযোগ এনে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে শামিল হলেন ট্রাক মালিকরা। বুধবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহার জেলার চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দর এলাকায়। এর জেরে এদিন বাংলাদেশগামী সার্করোডে পণ্যবাহী ট্রাকের লাইন পড়ে যায়। ব্যাপক যানজট তৈরি হয়।

এদিনের অবরোধ আন্দোলনে শামিল হওয়া ফরিদুল রহমান, হামিদুল রহমান প্রমুখ ট্রাক মালিকরা অভিযোগ করেন, মাঝেমধ্যেই পুলিশের তরফে তাঁদের কাছে টাকা চাওয়া হচ্ছে। টাকা না দিলেই নানারকমভাবে হয়রানির চেষ্টা করা হচ্ছে। এমনকি, গাড়ি থানায় টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। একাধিক ট্রাক মালিক এদিন জানান, সীমান্তের এই এলাকায় তাঁদের মতো অনেকে ধার দেনা করে ট্রাক কিনে ভাড়া খাটিয়ে আয় করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু পুলিশ তাঁদের ওপর হয়রানির চেষ্টা করছে। এদিনও কয়েকজন পুলিশকর্মী জুলুমবাজির চেষ্টা করেন। এর প্রতিবাদেই ট্রাক মালিকরা রাস্তায় নেমে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছেন। যদিও মেখলিগঞ্জ থানার পুলিশের তরফে অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের তরফে জানানো হয়েছে, চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দর এলাকায় প্রচুর ট্রাকের নথিপত্র নিয়ে অভিযোগ রয়েছে। এইসব বিষয়ে খোঁজখবর নিলেই ট্রাক মালিকদের একাংশ পুলিশের বিরুদ্ধে অসত্য অভিযোগ আনার চেষ্টা করে থাকেন। এবিষয়ে মেখলিগঞ্জ থানার ওসি ভাস্কর রায়কে ফোন করা হয়। তবে তিনি ফোন তোলেননি।

- Advertisement -

এদিনের অবরোধ আন্দোলনের জেরে কিছুক্ষণের জন্য বৈদেশিক বাণিজ্যেও অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। এদিনের আন্দোলনে শামিল হওয়া নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক কয়েকজন ট্রাক মালিক ও কর্মী জানান, গত কয়েক মাস থেকে তাঁদের কাছ থেকে পুলিশের নামে মাসিক তোলা নেওয়া হচ্ছে। এনিয়ে একটি চক্র তাঁদের ওপর চাপও সৃষ্টি করে থাকে। তারপরেও তাঁদের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। যেটা মেনে নেওয়া যায় না। তবে কারা এই তোলা আদায়ের চেষ্টা করে থাকেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কয়েকজন আবার জানান, এটা নতুন কিছু নয়। দীর্ঘদিন থেকেই একটি চক্র পুলিশের নামে তোলা আদায়ের চেষ্টা করে আসছে। এই কাজে একটু এদিক ওদিক হলেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটে।