গুরগাঁওয়ে ভেন্টিলেশনে থাকা রোগিণীকে ধর্ষণের অভিযোগ

447
প্রতীকী

গুরগাঁওয়: দেশে ক্রমবর্ধমান নারী নির্যাতনের ঘটনা অমানবিকতার সমস্ত নজিরকে ছাপিয়ে যাচ্ছে। নৃশংসতা একে অপরকে টেক্কা দিচ্ছে। এবার হরিয়ানার ঘটনা চরম নৃশংসতাকে ছাপিয়ে গেল। হরিয়ানার গুরগাঁওয়ের ফর্টিস হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগে চিকিৎসাধীন এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে, কোন পর্যায়ের বিকৃতি থেকে এমনটা কেউ করতে পারে! অচেতন রোগিকেও ধর্ষণ করা যায়!

এই বিষয়ে পুলিশ কমিশনারের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রেমন্ত্রকের গাইডলাইন মেনে ২ মাসের মধ্যে এই তদন্তের রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে৷ অন্যদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে কমিশন৷ বেসরকারি হাসপাতালের সিইও এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টরের কাছে নিরাপত্তার গাফিলতির কারণ জানাতে চাওয়া হয়েছে৷ পাশাপাশি এই ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে আর না ঘটে তার ব্যবস্থাও নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ হাসপাতালের থেকেও এই ঘটনার পর জবাব তলব করা হয়েছে৷ জাতীয় মহিলা কমিশনের পক্ষ থেকে প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে এই মর্মে৷

- Advertisement -

ঘটনার বিবরণে জানা গিয়েছে,চলতি মাসের ২১ তারিখে প্রবল শ্বাসকষ্ট নিয়ে গুরগাঁওয়ের ৪৪ নম্বর সেক্টরের ফর্টিস হাসপাতালে নির্যাতিতা তরুণী ভর্তি হন। এরপর টানা ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত ওই তরুণীর নড়াচড়ার অবস্থা ছিল না। অভিযোগ, সেই সময়ই তাঁকে যৌন নির্যাতন করা হয়েছে।

নির্যাতিতার পরিবার সূত্রে খবর, ২৭ তারিখের পর জ্ঞান ফিরলে তরুণী তাঁর বাবাকে ৩ পাতার চিঠি লিখে গোটা ঘটনার কথা জানায়। চিঠি হাতে পাওয়ার পরপরই তরুণীর পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ জানায়।

অভিযোগ পাওয়ার পরেই তদন্ত নামে পুলিশ। হাসপাতালের রেকর্ড ও সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তরুণী জানিয়েছেন, অভিযুক্তের নাম বিকাশ। যদিও তদন্তের শুরুতে তরুণীর বয়ান সংগ্রহে পুলিশকে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। যদিও ইতিমধ্যে হাসপাতালের অস্থায়ী কর্মীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নির্যাতিতার শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছে।