বিহারে পাচারের আগে কনটেইনার বোঝাই ১০ লক্ষ টাকার বিদেশি মদ সহ গ্রেপ্তার ২

301

ফাঁসিদেওয়া, ২৮ সেপ্টেম্বরঃ বৈধ চালান ছাড়াই কনটেইনার বোঝাই করে বিপুল পরিমাণে মদ নিয়ে যাওয়ার সময় ফাঁসিদেওয়া থানার ঘোষপুকুর ফাঁড়ির পুলিশ বিপুল পরিমাণে বিদেশী মদ উদ্ধার করল। সোমবার সন্ধ্যা প্রায় ৬টা নাগাদ গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে পুলিশি অভিযানে ফাঁসিদেওয়া ব্লকের ঘোষপুকুর সংলগ্ন ময়লানিজোত এলাকা থেকে কনটেইনার বোঝাই ওই বিপুল পরিমাণ অবৈধ মদ উদ্ধার করেছে। মদ পাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে গাড়ির চালক এবং খালাসী সহ মোট ২ জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। ধৃত ফইজুল খান (২০) এবং মহম্মদ জুনায়েদ (১৮) উভয়েই উত্তর প্রদেশের মোরাদাবাদের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। পাচারে ব্যবহৃত উত্তর প্রদেশ নম্বরের কনটেইনারটিকেও পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে। ধৃতদের মঙ্গলবার শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে তোলা হবে।

গোপন সূত্রে পুলিশের কাছে খবর আসে অরুণাচল প্রদেশ থেকে কনটেইনারে বোঝাই করে বিদেশী মদ বিহারে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেই খবরের ভিত্তিতেই ঘোষপুকুর ফাঁড়ির ওসি অভিজিৎ বিশ্বাসের নেতৃত্বে ময়লানিজোত এলাকায় অভিযান শুরু হয়। এরপর ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কে বিধাননগরগামী সন্দেহভাজন একটি কনটেইনার আটক করে পুলিশ তল্লাশি শুরু করে। সেই কনটেইনার থেকে অরুনাচল প্রদেশ সাপ্লাইয়ের লেবেল সাঁটানো প্রায় ৪২৫ কার্টন মদ উদ্ধার হয়েছে। পুলিশের মনে করছে উদ্ধার হওয়া মদের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১০ লক্ষ টাকার বেশি। ধৃতদের কাছে মদ নিয়ে যাওয়ার বৈধ চালানও ছিল না বলে পুলিশ জানিয়েছে। কনটেইনার সমেত ২ জনকে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতরা মদ বিহারে পাচারের কথা স্বীকার করে নিয়েছে। গুয়াহাটি ওই বিপুল পরিমাণে মদ কনটেইনারে বোঝাই করা হয়েছিল বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। পরে পুলিশ ধৃতদের গ্রেপ্তার করে তাদের বিরুদ্ধে বেঙ্গল এক্সাইজ আইনে মামলা রুজু করেছে।

- Advertisement -

ডিএসপি (গ্রামীণ) অচিন্ত্য গুপ্ত জানিয়েছেন, গোপন খবরের ভিত্তিতে পুলিশ বড় সাফল্য পেয়েছে। বিপুল পরিমাণে মদ বিহারে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। তবে, কোথা থেকে এত মদ বোঝাই করা হল তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, এই অবৈধমদ পাচার চক্রে আর কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু করা হয়েছে।