সাংবাদিক পরিচয়ে তোলাবাজির অভিযোগ, শিলিগুড়িতে ধৃত ২

132

শিলিগুড়ি: সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে একটি কল সেন্টার থেকে তোলা আদায় করতে গিয়ে শিলিগুড়িতে গ্রেপ্তার দুই। ধৃতরা সায়ন্তন সাহা এবং রবীন সাহা। দুজনেই শিলিগুড়ির বাসিন্দা। শুক্রবার তাদের জলপাইগুড়ি জেলা আদালতে পেশ করা হলে জামিনের আবেদন খারিজ করে বিচারক ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতরা ফেসবুক পেজ খুলে সংবাদিকতার পরিচয় দিয়ে শহর দাপিয়ে বেরাচ্ছিল। তবে এই তোলা আদায়ের ক্ষেত্রে শুধু ধৃত দুই নয়, আরও জনা ১৪ ব্যক্তি জড়িত রয়েছে বলেই খবর। তারমধ্যে কয়েকজন মেয়ে রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। এছাড়াও অভিযোগ, একাধিক রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় ফেসবুক পেজ খুলে সাংবাদিকতায় জড়িয়ে নেওয়া হচ্ছে যুব সমাজের একাংশকে। এরপর সেই রাজনৈতিক দলের মদতে এই কর্মকান্ড ঘটিয়ে চলেছে তথাকথিত ফেসবুক পেজের সাংবাদিকেরা। সেক্ষেত্রে ভোটের আগে সরগরম শিলিগুড়ির রাজনৈতিক মহল।

- Advertisement -

অভিযোগ, বৃহস্পতিবার ধৃতরা তাদের সহযোগীদের নিয়ে সেবক রোড সংলগ্ন এলাকায় একটি কল সেন্টারে হানা দেয়। সেখানে পৌঁছে বিপুল অঙ্কের টাকা তোলা হিসেবে দাবি করে তারা৷ যদিও কল সেন্টার কর্তৃপক্ষ তাতে গররাজি হয়। এরপর আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সাড়ে তিন লক্ষ টাকায় মধ্যস্ততা হয়। পরে কল সেন্টারের মালিকপক্ষের তরফে ধৃতদের টাকা দেওয়ার নামে ডেকে পাঠানো হয়। অন্যদিকে খবর দেওয়া হয় ভক্তিনগর থানায়৷ এরপর ধৃতরা ঘটনাস্থলে তোলা আদায়ের জন্য পৌঁছলেই পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় তাদের।

থানা সূত্রে খবর, ধৃত দুইয়ের পাশাপাশি আরও দুজনের নাম উঠে এসেছে। তারা বাপ্পা সাহা এবং প্রীতম সাহা। তাদের খোঁজে তল্লাশি জারি রেখেছে পুলিশ।

এবিষয়ে দার্জিলিং জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রঞ্জন সরকার বলেন, ‘এই ঘটনায় বিজেপির যোগসাজস রয়েছে। বিষয়টি অনতিবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত।’

বিজেপির শিলিগুড়ি জেলা কমিটির সভাপতি প্রবীন আগরওয়াল বলেন, ‘সব ঘটনায় রাজনৈতিক যোগসাজস খোঁজা ঠিক নয়। রাজ্যে ক্ষমতায় তৃণমূল। তাদের প্রশাসন। তাদের নজর রাখা উচিত।’