ভাগ্নিকে খুন! শ্রীঘরে দিদিমা, পুলিশি হেপাজতে মামা

21

বর্ধমান: ভাগ্নিকে প্রাণে মারার অভিযোগে পুলিশের জালে মামা ও দিদিমা। ধৃতরা পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ থানার এলাকার লতিফপুর গ্রামের বাসিন্দা জিয়ারুল রহমান ওরফে খোকন এবং কুরাশিয়া বেগম। রবিবার তাদের বর্ধমান আদালতে পেশ করা হলে তদন্তের স্বার্থে জিয়ারুল রহমানকে ৫ দিনের পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। অন্যদিকে, কুরাশিয়া বেগমকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

পুলিশ ও স্থানীর সূত্রে খবর, স্বামীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের পর থেকেই মেয়ে পায়েল খাতুনকে নিয়ে বাপের বাড়িতেই থাকতেন রিজিয়া বেগম। পায়েল মানসিকভাবে সুস্থ না থাকায় তাঁকে পছন্দ করতেন না মামা ও দিদিমা। প্রায়শই তাঁকে মারধর করতে বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, মামা এবং দিদিমার অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে বারকয় বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন পায়েল। দিন সাতেক আগেও বাড়ি থেকে পালিয়ে যান পায়েল। গত শনিবার তাঁকে ফিরিয়ে আনেন তাঁর মামা। অভিযোগ, বাড়ি ফিরিয়ে আনার পর লাঠি দিয়ে মারধর করা হয় পায়েলকে। ঘটনায় পায়েলের মৃত্যু হয় বলে দাবি করেন তাঁর মা। রাতে ঘটনার কথা উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই মৃতার মামা এবং দিদিমাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

- Advertisement -

এদিন মৃতার দিদিমা কুরাশিয়া দাবি করেন, তাঁরা পায়েলকে প্রাণে মারেননি। পরিবারের সন্মানহানী হচ্ছিল বলে নাতনিকে বাড়ি ফিরিয়ে আনার পর তিনি ও তাঁর ছেলে শাসন তাকে করছিলেন। সেই সময় পায়েল দেওয়ালে মাথা ঠুকতে শুরু করে। কিছু সময় পরেই বুকে ব্যথা হচ্ছে বলে জানিয়ে জল চায়। জল খাওয়ার কিছুক্ষণের পরেই নাতনি মারা যায়।

সবদিক খতিয়ে দেখে গোটা ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।