কৃষ্ণগঞ্জ, ১০ ফেব্রুয়ারিঃ নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনে গ্রেফতার করা হল ২ জনকে। ধৃতদের নাম সুজিত মণ্ডল ও কার্তিক মণ্ডল। শনিবার রাতেই তাদের আটক করা হয়েছিল। দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদের পরেই দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। না। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, অভিজিৎ পুন্ডারী নামে এলাকারই এক যুবক বিধায়ককে একেবারে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে। গুলি করে সোজা চম্পট দেয় আততায়ী। এরপর উত্তেজিত জনতা অভিজিতের বাড়ি ভাঙচুর করে ও আগুন ধরিয়ে দেয়।

শনিবার রাতে কলকাতা থেকে সিআইডির বিশেষ টিম আসে ঘটনাস্থলে। রাতেই ঘটনাস্থলে আসেন ডিআইজি এম আর বাস্তব বৈদ্য, সিআইডি’র আইজি অজয় কুমার। রবিবার ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরাও কৃষ্ণগঞ্জে যাচ্ছেন। ঘটনাস্থল থেকে বাজেয়াপ্ত হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যালেস্টিক পরীক্ষা করে দেখা হবে বলে খবর। এছাড়াও তদন্তকারীদের সঙ্গেও কথা বলবেন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা। এ দিকে এই খুনের ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার জন্য হাঁসখালি থানার অফিসার ইন-চার্জ অনিন্দ্য বসুকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সাসপেন্ড করা হয়েছে সত্যজিৎবাবুর দেহরক্ষী প্রভাস মণ্ডলকেও। তাঁর বিরুদ্ধে বিচারবিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর,  পরিকল্পনা করেই বিধায়ককে খুন করা হয়েছে। কারণ বিধায়কের সর্বক্ষণের দেহরক্ষী প্রভাস মণ্ডল  যে দু’দিন আগে ছুটি নিয়েছিলেন তা আততায়ীরা জানত। যে সরস্বতী পুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন বিধায়ক, সেখানে বারবার লোডশেডিংও হচ্ছিল। তাছাড়া অনুষ্ঠানে বিধায়কের জন্য কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ছিল না।