নবান্ন অভিযানে বামকর্মীর মৃত্যু, তদন্তের দাবিতে হাইকোর্টে দায়ের জোড়া মামলা

121
সংগৃহীত ছবি

কলকাতা: বামকর্মী মইদুল ইসলাম মিদ্দার মৃত্যুতে বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা  করলেন আতায়ুর রহমান নামে জৈনক এক ব্যক্তি। পাশাপাশি নবান্ন অভিযানে মৃত্যু এবং নিখোঁজের ঘটনায় বিচারবিভাগীয় তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ বামেরাও। বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি রাজেশ বিনদাল ও বিচারপতি অনিরুদ্ধ রায়ের ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষন করে রাজ্যসভার সাংসদ ও আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য জানান, গত ১১ ফেব্রুয়ারি বামেদের ছাত্র সংগঠনের নবান্ন অভিযানে নির্বিচারে পুলিশের লাঠি চালানোর ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে বাঁকুড়ার কোতলপুরের বাম সমর্থক মইদুল ইসলাম মিদ্দার এবং একজন নিখোঁজ রয়েছে। তাঁর কোনও হদিস পাওয়া যায়নি। পুলিশের এই লাঠি চালানো মানবাধিকার লংঘনের সামিল। এই ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্তের আর্জি জানিয়েছেন বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য।

জনস্বার্থ মামলাটির ব্যাপারে মামলাকারীর তরফে আইনজীবী সব্যসাচী চট্রোপাধ্যায় ও ইন্দ্রজিৎ দে জানালেন, ‘আমরা চাইছি বিচারবিভাগীয় তদন্ত। তাতে নিরপেক্ষ তদন্ত হবে। আমরা রাজ্য সরকার যে সিট গঠন করেছে এই মৃত্যুর তদন্তে, তাতে ভরসা রাখতে পারছি না। একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি থাকলে অন্তত ভরসা করা যায় যে নিরপেক্ষ তদন্ত হবে।’

- Advertisement -

গত ১১ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় ১০টি বামপন্থী ছাত্র যুব সংগঠনের ডাকে নবান্ন অভিযান কর্মসূচিতে যোগ দিতে বাঁকুড়ার কোতলপুর থেকে কলকাতায় এসেছিলেন মইদুল। এলাকায় তিনি ফরিদ নামে পরিচিত। ধর্মতলায় পুলিশের লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত হন তিনি। তাঁকে ডাক্তার ফুয়াদ হালিমের অধীনে নার্সিং হোমে ভর্তি করা হয়েছিল প্রথমে। পরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাঁকে লাইফলাইন নার্সিং হোমে ভর্তি করা হয়। সেখানেই১৫ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়। পরদিন রাজ্য জুড়ে বনধের ডাক দিয়েছিল বাম ও কংগ্রেস দল। পাশাপাশি এই ঘটনায় এখনও রাজ্য রাজনীতি উত্তপ্ত।