ইউরো কাপ নিয়ে অন্য পথে যেতে পারে উয়েফা

লন্ডন: করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে চলতি বছর ইউরো কাপ আয়োজক দেশের সংখ্যা কমিয়ে দিতে পারে উয়েফা। বর্তমান সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১২ দেশের ১২ শহরে ইউরো হবে। কিন্তু করোনাকালে আন্তজার্তিক নানা বিধিনিষেধের জন্য ৪ দেশে টুর্নামেন্ট করা হতে পারে। ক্ষতিপূরণ সংক্রন্ত জটিলতা এড়াতেই একটি দেশে সব ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে না বলে উয়েফা সূত্রে খবর।

করোন সংক্রমণের জেরে বিভিন্ন দেশের মধ্যে যাতায়াতে কড়াকড়ি শুরু হয়েছে। এমন অবস্থায় ১২ দেশে ইউরোর খেলা হলে তা নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে। এজন্যই বিকল্প পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে উয়েফা সূত্রে খবর। আয়োজক দেশ হিসেবে ইংল্যান্ড একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। এমনিতেই সেখানে ইউরোর সেমিফাইনাল ও ফাইনাল হওয়ার কথা। পাশাপাশি টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে ইউরোপে সবচেয়ে এগিয়ে থাকাটাও তাদের পক্ষে যাচ্ছে। এছাড়া পোর্তুগাল, জার্মানি ও রাশিয়া আয়োজক হওয়ার দৌড়ে সবার আগে আছে।

- Advertisement -

সম্প্রতি উয়েফার এক বৈঠকের পর সভাপতি আলেকজান্ডার কেফেরিন জানিয়েছিলেন, তাঁরা এখনও পুরোনো পরিকল্পনা অনুযায়ী ১২ দেশ মিলিয়ে ইউরো আয়োজনে আগ্রহী। করোনার কথা মাথায় রেখে আয়োজক শহরের জন্য প্রস্তুতির সীমা বাড়িয়ে এপ্রিল মাস করা হয়েছে। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না।

উয়েফা সূত্রে খবর, ওই বৈঠকে ১২ শহরই ম্যাচ আয়োজনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে। যদিও বাস্তবে বাকু বা বুখারেস্টের মতো শহরগুলি দর্শক ছাড়া ম্যাচ আয়োজনের ক্ষেত্রে খুব একটা আগ্রহী নয়। তবে আয়োজনের দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় সরে গেলে ক্ষতিপূরণ মিলবে না। তাই সব শহরই এপ্রিলে উয়েফা কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার দিকে তাকিয়ে আছে।

এর আগে গত মরশুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষাংশ শুধুমাত্র পোর্তুগালের লিসবনে হয়েছে। কিন্তু ইউরোর ক্ষেত্রে একটি দেশে সব খেলা ফেলানোর পরিকল্পনা নেই উয়েফার। ক্ষতিপূরণের ভার কমানোর জন্যই তারা অন্তত চারটি দেশে ইউরো কাপ করার পরিকল্পনা নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।