ইংল্যান্ডকে নিয়ে ভীত নন জিনচেঙ্কোরা

গ্লাসগো : ইউরোয় অব্যাহত আন্ডারগডদের রূপকথার গল্প। সেই অধ্যায়ে নতুন সংযোজন এবার ইউক্রেন।

১২০ মিনিট শেষে ম্যাচ টাইব্রেকারে গড়াচ্ছে ধরেই নিয়েছিলেন সমর্থকরা। তখনই চমক ইউক্রেনের। ম্যাচের এক্সটা টাইমের শেষ মুহূর্তে আর্তেম দোভবিকের হেড জালে জড়াতেই প্রথমবার ইউরোর কোয়ার্টার ফাইানালে উঠল আন্দ্রে শেভচেঙ্কোর দল।

- Advertisement -

ফুটবলার হিসেবে ২০০৬ সালে দেশকে প্রথমবার দেশকে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে তুলেছিলেন, এবার ইউরোয় ইতিহাস গড়লেন কোচ হিসেবে। শেষ আটের লড়াইয়ে ইউক্রেনের সামনে ফর্মে থাকা ইংল্যান্ড। আর সুইডেন ম্যাচ জিতে কোয়ার্টার ফাইনালের প্রতিপক্ষের উদ্দেশে শেভচেঙ্কোর বার্তা, ইউক্রেন ভয় পায় না ইংল্যান্ডকে। সঙ্গে যোগ করেন, ইংল্যান্ড শক্তিশালী দল। রিজার্ভ বেঞ্চের গভীরতাও বেশি। কিন্তু বিপক্ষের শক্তি আমাদের কাছে দুশ্চিন্তার বিষয় নয়। বরং শক্ত প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মাঠে নামা উদ্বুদ্ধ করবে আমার ছেলেদের।

সুইডিশদের বিরুদ্ধে ম্যাচে পার্থক্য গড়লেন আলেকজান্ডার জিনচেঙ্কো। ম্যাচের প্রথম গোল এল ২৪ বছরের এই ডিফেন্ডারের পা থেকে। ১২১ মিনিটে দোভবিকের গোলের পিছনে মুখ্য কারিগর ম্যান সিটির এই ফুটবলার। ২০১৫ সালে কেরিয়ারের শুরুতে চিরশত্রু রাশিয়ার ফুটবলে যোগ দিয়ে দেশের জনগণের রোষে পড়তে হয়েছিল জিনচেঙ্কোকে। রাস্ট্রদোহিতার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। সেই নিন্দিত জিনচেঙ্কোই মঙ্গলবার ইউক্রেনের বন্দিত নায়ক।

কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত হতেই জিনচেঙ্কোর ভাবনায় ঢুকে পড়েছেন রাহিম স্টার্লিং। ম্যান সিটির সতীর্থকে নিয়ে জিনচেঙ্কোর অভিমত, স্টার্লিং বিশ্বের সেরা উইঙ্গারদের অন্যতম। একাই তফাত গড়ার ক্ষমতা রাখে। এদিকে শেষ আটে দলের আক্রমণভাগের মুখ আর্তেম বেসেডিনকে পাচ্ছে না ইউক্রেন। ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে তাঁকে ফাউল করার জন্য লাল কার্ড দেখেন সুইডেনের মার্কাস ড্যানিলসন। তবে বেসেডিনের হাঁটুর চোট এতটাই গুরুতর, যে ছিটকে গেলেন ইউরো বাকি আসর থেকে।