নয়াদিল্লি, ১ ফেব্রুয়ারিঃ সংসদে ২০২০-২১ অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। দ্বিতীয় মোদি সরকারের এটাই প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট।

একনজরে দেখে নিন বাজেট ২০২০-

  • জিএসটির ফলে করের বোঝা কমেছে। কর দেওয়ার পদ্ধতি এখন সহজ হয়েছে। দাবি অর্থমন্ত্রীর। ৬০ লক্ষ নতুন করদাতা।
  • নতুনকর ব্যবস্থায় বছরে ২.৫ লক্ষ টাকা থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ। বছরে ৫ লক্ষ টাকা থেকে ৭.৫ লক্ষ টাকা আয়ের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ কর দিতে হবে। বছরে ৭.৫ লক্ষ টাকা থেকে  ১০ লক্ষ টাকা আয়ের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ কর। বছরে ১০ লক্ষ টাকা থেকে ১২.৫ লক্ষ টাকা আয়ের ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ কর। বছরে ১২.৫ লক্ষ  টাকা থেকে ১৫ লক্ষ টাকা আয়ের ক্ষেত্রে কর কমে ২৫ শতাংশ। বছরে ১৫ লক্ষ টাকা বেশি আয়ের ক্ষেত্রে কর আগের মতোই ৩০ শতাংশ।
  • বিদেশ থেকে এদেশে ২৮ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ হয়েছে।
  • ব্যাংক গ্যারান্টি ১ লক্ষ থেকেবেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ টাকা। ব্যাংক বন্ধ হলে ৫ লক্ষ টাকা বিমার সুবিধা। বিমা হিসাবে সেই টাকা পাবেন গ্রাহকেরা।
  • কৃষিতে ১৬ দফা কর্মসূচি। জমিতে জৈব সার ব্যবহারে বিশেষ সুবিধা মিলবে।
  • পঞ্চায়েত ও গ্রাম উন্নয়নে ১.২৩ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগ। জল জীবন প্রকল্পে ৩.৬ লক্ষ কোটি বরাদ্দ করা হয়েছে।
  • দেশের খরাপ্রবণ ১০০ জেলার উন্নয়নে সুসংহত ব্যবস্থা নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ২০ লক্ষ কৃষককে নতুন পাম্প দেওয়া হয়েছে।
  • ২০২২ সালের মধ্যে কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করার লক্ষ্য কেন্দ্রের।
  • কৃষিপণ্য মজুত রাখতে আরও হিমঘর তৈরি করা হবে। এবং অনলাইনে কৃষিপণ্য বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
  • দেশের উত্তর-পূর্বে চালু করা হবে কিষাণ রেল।
  • মোদি সরকারের লক্ষ্য ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস’, ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর।
  • স্বচ্ছ ভারত অভিযানে ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ।
  • পরিবেশকে স্বচ্ছ রাখতে ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ।
  • ১২২টি জেলায় নতুন হাসপাতাল। ১২টি রোগ নির্মূল করতে ‘মিশন ইন্দ্রধনুষ’।
  • ২০২৫-এর মধ্যে টিউবারকিউলোসিস সম্পূর্ণ নির্মূল করতে চাই। জানালেন অর্থমন্ত্রী।
  • প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনায় জোর দেওয়া হবে। ছোটো শহরে পিপিপি মডেলে নতুন হাসপাতাল তৈরি করা হবে।
  • শিক্ষা ক্ষেত্রে বরাদ্দ ৯৯ হাজার ৩০০ কোটি টাকা।
  • চাকরি ভিত্তিক শিক্ষার ক্ষেত্রে জোর দেওয়া।
  • অনলাইনে স্নাতকোত্তর শিক্ষা চালু করার চেষ্টা করা হবে। প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের জন্য নতুন শিক্ষানীতি তৈরি করা হবে।
  • জাতীয় ফরেনসিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাতীয় পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাব।
  • স্যাট-এ বসতে পারবে এশিয়া-আফ্রিকার পড়ুয়ারা।
  • এসবিআইকে শিক্ষা-ঋণ বাড়ানোর আর্জি।
  • পরিবহন পরিকাঠামোয় ১.৭ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ।
  • ২০২৪-এর মধ্যে আরও ৬ হাজার কিলোমিটার জাতীয় সড়ক তৈরি করা হবে।
  • তেজসের মতো আরও সুপার স্পিড ট্রেন চালু করা হবে।
  • রেলের খালি জমিতে তৈরি করা হবে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
  • ১০০টি নতুন বিমানবন্দর তৈরি করা হবে।
  • দেশি মোবাইল ফোন উৎপাদনে জোর দেওয়া হবে।
  • অপটিক্যাল ফাইবারে জুড়বে একলক্ষ গ্রাম পঞ্চায়েত।
  • প্রতিটি জেলায় এক্সপোর্ট হাব তৈরি করা হবে। পরিকাঠামো উন্নয়নে ১০০ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ।
  • পর্যটনে ২.৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ।
  • মহিলাদের উন্নয়নে ২৮ হাজার ৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ। ১০ কোটি অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা।
  • জনজাতিদের উন্নয়নে ৫৩ হাজার কোটি টাকা। প্রবীণ নাগরিক ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য ৯০০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ।
  • ৩ বছরের মধ্যে প্রতিটি বাড়িতে প্রি-পেড স্মার্ট মিটার নিয়ে আসতে চাই। উপভোক্তা কার কাছে বিদ্যুৎ কিনবেন, তা বেছে নিতে পারবেন। এর জন্য ২২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হল।
  • হরিয়ানা, তামিলনাড়ু, অসম, গুজরাট ও উত্তরপ্রদেশে প্রত্নতাত্ত্বিক সংগ্রহশালা গড়ে তোলা হবে। ঝাড়খণ্ডে আদিবাসী মিউজিয়ম গড়ে তোলা হবে।
  • কলকাতায় জাতীয়সংগ্রহালয় (ন্যাশনাল মিউজিয়ম)-এর সংস্কার করা হবে। সে জন্য বাড়তি বরাদ্দ করা হয়েছে। একইসঙ্গে দেশের আরও ৪টি সংগ্রহালয়েরও সংস্কার হবে।
  • জম্মু ও কাশ্মীরের জন্য ৩০ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ। লাদাখে উন্নয়নে ৫ হাজার ৯০০ কোটি টাকা বরাদ্দ।