সংসদে বাজেট পেশ কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর

173

নয়াদিল্লি: সংসদে ২০২১-২২ অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। করোনাকালে প্রথমবার পেপারলেস বাজেট। সোমবার এই দশকের প্রথম কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ হচ্ছে সংসদে। এদিন বাজেট শুরুর আগে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘অভূতপূর্ব পরিস্থিতিতে এই বাজেট তৈরি হয়েছে। অনেক নাগরিক বাড়িতে বসেছিলেন। অনেকেরই আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। করোনার প্রভাব পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। অনেকেই তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন। ৮০ কোটি মানুষকে নিখরচায় র‍্যাশন। ২৭ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজ আরবিআইয়ের। আমরা আত্মনির্ভরতার লক্ষ্যে বাজেট তৈরি করছি। বাজেট এমন হবে যাতে ঘুরে দাঁড়ানো যায়।’

একনজরে দেখে নিন বাজেট ২০২১-

- Advertisement -
  • কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করতে বদ্ধপরিকর
  • লক্ষ্য কম বয়সীদের জন্য সম্ভাব্য সৃষ্টি
  • স্বাস্থ্যখাতে: ৫৪ হাজার কোটি টাকা
  • নজর জাতীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে। ল্যাবরেটরি ৬০২টি জেলা উপকৃত হবে

 

  • ১৭টি নতুন পিএইচইউ তৈরি হবে।
  • পরিবেশ শুদ্ধকরণে: ২ হাজার কোটি টাকা।
  • ২.৮৬ কোটি মানুষ কলের জল পাবে।
  • করোনা টিকার জন্য ৩৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ
  • স্বাস্থ্যখাতে ১৩৭ শতাংশ বরাদ্দ বৃদ্ধি হবে
  • সমস্ত জেলায় হবে স্বাস্থ্য ল্যাবরেটরি
  • ২০টি বড় শহরে স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান হবে
  • স্বচ্ছ ভারত: ১ লক্ষ ৪১ হাজার কোটি টাকা
  • ২০ বছরে পুরোনো গাড়ি বাতিল হবে।
  • উৎপাদন শিল্পের ১৩ টি জায়গা চিহ্নিত
  • রপ্তানি কর্মসংস্থানে উৎসাহিত করা হবে। ৫ লক্ষ কোটি টাকা ৩ বছরের ঋণ দেওয়া হবে।
  • বস্ত্রশিল্পের জন্য আলাদা পার্ক তৈরি হবে।
  • বাজেটের লক্ষ্য জিডিপির বৃদ্ধি ফিরিয়ে আনা। সরকার তা ফেরাতে পুরোপুরি প্রস্তুত। যুব সমাজের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা। ১৭ ও ১১ হাজার যথাক্রমে শহর ও গ্রামীণ খাতে খরচ করার প্রস্তাব। জিডিপির মোট ১৩ শতাংশ স্বাস্থ্যখাতে খরচ করা হবে।
  • পশ্চিমবঙ্গে রাস্তা তৈরিতে ২৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ। পশ্চিমবঙ্গে ৬৭৫ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি হবে। কলকাতা শিলিগুড়ি রাস্তা সংস্কার হবে। ৮.৫ হাজার কিলোমিটার রাস্তা তৈরি হবে।
  • ১.১ হাজার কিলোমিটার রাস্তা কেরলে তৈরি হবে। ৩.৫ কিলেমিটার রাস্তা তৈরি হবে তামিলনাড়ুতে। জাতীয় সড়ক নির্মাণের কাজ বেসরকারি সংস্থার হাতে দেওয়া হবে।
  • খড়গপুর-বিজয়ওয়াড়া ফ্রেট করিডোর
  • রেলের মূলধন খাতে ১ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয় হবে
  • যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য নতুন পরিবহণ ব্যবস্থা কাজে লাগবে
  • জাপান থেকে জাহাজ ভারতে এনে পুনর্নির্মাণ হবে। এর ফলে ১.৫ লক্ষ কর্মসংস্থান হবে।
  • বিমা কোম্পানিতে ৭৪ শতাংশ বিদেশি বিনিয়োগ করা হবে। আগে এই বিনিয়োগ ছিল ৪৯ শতাংশ
  • শহরের গ্যাস বণ্টন পদ্ধতিও আরও উন্নতি হবে
  • রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে ২০,০০০ কোটি টাকা দেওয়া হবে। চলতি বছরে এলআইসিতে আইপিও শুরু করা হচ্ছে। আগামী অর্থবর্ষে বিলগ্নিকরণের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে ১.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা।
  • পরিযায়ী শ্রমিক, নির্মাণ শ্রমিক সহ অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীদের জন্য পোর্টাল তৈরি করা হচ্ছে। ন্যূনতম বেতন নিশ্চিত করা হবে।
  • ভারতের ইতিহাসে প্রথমবার ডিজিটালি জনগণনা করা হতে পারে। ৭,৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
  • জাতীয় শিক্ষানীতির জন্য ১৫,০০০ স্কুলকে শক্তিশালী করা হবে। ১০০ টি নতুন সৈনিক স্কুল করা হবে। ৭৫০ টি একলব্য স্কুল তৈরি করা হবে। লেহ’তে শীঘ্রই তৈরি হবে একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
  • অসম এবং পশ্চিমবঙ্গের চা শ্রমিকদের কল্যাণের জন্য ১,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হবে। জোর দেওয়া হবে মহিলা এবং শিশুদের উপর।
  • কমানো হয়েছে কর্পোরেট কর। যা বিশ্বে অন্যতম কম। করদাতাদের ওপর যথাসম্ভব কম চাপ দিতে হবে। ৭৫ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য সুদের ওপর সম্পূর্ণ ছাড়।
  • চলতি অর্থবর্ষে রাজকোষ ঘাটতি জিডিপির ৯.৫ শতাংশ হবে। সেই ঘাটতি কমানোর জন্য বিভিন্ন উপায় করা হবে। তারপরও ৮০,০০০ কোটি টাকা আরও লাগবে। সেজন্য আগামী দু’মাসে বাজার থেকে টাকা তোলার চেষ্টা করা হবে। ২০২১-২২ সালে রাজকোষ ঘাটতি ৬.৮ শতাংশ হবে। ২০২৫-২৬ সালের মধ্যে রাজকোষ ঘাটতি ৪.৫ শতাংশে বেধে রাখার উপর জোর দেওয়া হবে।
  • নতুন ফ্ল্যাট কিনলে দেড় লক্ষ টাকা আয়করে ছাড় মিলবে ২০২২ পর্যন্ত।
  • শেয়ারের টিভিডেন্ট থেকে টিভিএস কাটা হবে না।
  • জিএসটি খাতে রেকর্ড সংগ্রহ করা হয়েছে। মোবাইল ফোন, বৈদ্যুতিন শিল্পের উন্নতি হয়েছে।
  • দেরিতে পিএফ জমা দিলে টাকা কাটা হবে না।
  • পেনশন ও সুদের ওপর নিরভরশীলদের ছাড়।
  • ৭৫ বছরের ঊর্ধ্বে ট্যাক্স রিটার্ন দিতে হবে না।
  • লৌহ ইস্পাতের ওপর আমদানি শুল্ক কমানো হল।