ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্তে মারণাস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ হবে, প্রত্যয়ী ঢাকা

152
ছবি সংগৃহীত

ঋদ্ধিমান চৌধুরী, ঢাকা: শিগগিরই ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্তে মারণাস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, ‘দুই দেশের সীমান্তে যে চুক্তি রয়েছে তা মেনে চললে সীমান্তে হত্যা বন্ধ করা সম্ভব।’ তাঁর কথায়, ভারত গরু না দিলে তাঁরাও চাননা। কারণ বাংলাদেশ এখন যথেষ্ট সমৃদ্ধ হয়েছে। বেশি লোভের দায়ে দু’একজন ব্যবসায়ী সীমান্ত দিয়ে গরু আনতে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটায়। তবে বর্তমানে বিজিবি কঠোর অবস্থান নিয়েছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, অনেক সময় সীমান্তে ভুল বোঝাবুঝির কারণে দুর্ঘটনা ঘটে যায়। একারণে দুই দেশের মন্ত্রী পর্যায়ে ও বিজিবি-বিএসএফ পর্যায়েও আলোচনা চলছে। শিগগিরই সীমান্তে দুই দেশের সীমান্ত রক্ষীবাহিনীদের মারণাস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ হবে।

বাংলাদেশের দাবি, সীমান্তে চোরা চালান বন্ধে তারা আরও তৎপর হয়েছে। সীমান্তে বিওপির সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। বেড়েছে নজরদারিও। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারও হচ্ছে। সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে স্বরাস্ট্র মন্ত্রকের যুক্তি, এমনও কিছু বাড়ি আছে যা সীমান্তের খুব কাছাকাছি। অনেক সময় দেখা যায় সীমান্ত এলাকার লোকজনের সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক এবং সবসময় ভারতে যাতায়াত রয়েছে। একারণেও অনেক সময় দুর্ঘটনা ঘটে। শনিবার চট্টগ্রামের বিজিবির ঐতিহ্যবাহী প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড কলেজের (বিজিটিসিএন্ডসি) বীর উত্তম মজিবুর রহমান প্যারেড গ্রাউন্ডে নতুন সৈনিকদের প্রশিক্ষণ শেষে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে যোগ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম জানান, বিজিবি এখন অনেক সক্ষম। যেসব সীমান্ত পিলারের কাছে আগে যেতে পারতাম না যেগুলো পিলারের কাছে আমরা এখন নিয়মিত টহল দিতে পারছি। সীমান্ত পারাপার আগের তুলনায় অনেক কমেছে।

- Advertisement -