উত্তরাখণ্ড বিপর্যয়: হিমবাহ ভাঙা বন্যায় মৃত বেড়ে ৫০

127
সংগৃহীত

দেহরাদুন: ফের কেদারনাথের স্মৃতি ফিরে এসেছে উত্তরাখণ্ডে। তুষারধসে বিপর্যস্ত এলাকা। সাত দিন আগের প্রবল জলোচ্ছ্বাসে ভেসে গিয়েছে একের পর এক গ্রাম। ধৌলিগঙ্গা, অলকানন্দা, ঋষিগঙ্গার জলে বিধ্বস্ত চামোলি ও জোশীমঠ। রবিবার সকাল থেকে তপোবনের সুড়ঙ্গ থেকে উদ্ধার হয়েছে আরও ১২টি মৃতদেহ। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫০। নিখোঁজ অন্তত ১৫৫ জন।

- Advertisement -

প্রসঙ্গত, বেশকিছু দিন ধরে ওই এলাকায় বৃষ্টিপাত চলছিল। ৬ ফেব্রুয়ারি রাতেই জারি করা হয়েছিল সতর্কতা। এরপরই রাতে জোশীমঠে নন্দাদেবীর হিমবাহে ফাটল ধরতে শুরু করে। এর ফলে ৭ তারিখে সকালে তুষারধস নামে চমোলি জেলায়। হিমবাহ ভেঙে পড়ার পর প্রবল তোড়ে জল নেমে আসতে থাকে। চামোলি জেলার তপোবন এলাকার রানি গ্রামে ঋষিগঙ্গা বিদ্যুৎ প্রকল্পে হিমবাহ ভেঙে পড়ায় জলে ভেসে গিয়েছে আশেপাশের এলাকা। জলের দাপটে রেইনি গ্রাম এলাকায় হাউড্রো পাওয়ার প্রোজেক্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঋষিগঙ্গা বিদ্যুৎ প্রকল্পে কর্মরত বহু শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন। তবে ভয়ঙ্কর বিপর্যয়ের মধ্যেও হিমবাহের স্রোতে টানেলের মুখ বন্ধ হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও অবিশ্বাস্যভাবে প্রাণে বেঁচে ফিরেছেন কিছু কর্মী। বন্যার পর থেকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় এনডিআরএফ, আইটিবিপি ও সেনা জওয়ানরা উদ্ধারকাজ শুরু করেন।