উত্তরাখণ্ডের বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩২, নিখোঁজ বহু

113
ছবি সংগৃহীত

নয়াদিল্লি: উত্তরাখণ্ডের বিপর্যয়ের ঘটনায় এখনও নিখোঁজ দুই শতাধিক মানুষ। এখনও পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে ৩২ জনের দেহ। জোরকদমে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে সেনা, আইটিবিপি, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। তবে তপোবন বিদ্যুৎপ্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধারের বিষয়টি নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এখনও পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ সুড়ঙ্গের ভিতরে ঢুকতেই বেগ পেতে হচ্ছে উদ্ধারকারী দলকে। সুড়ঙ্গের ভিতরে বড় বড় পাথর আটকে থাকায় সেগুলো পরিষ্কার করে ঢুকতে সমস্যায় পড়ছে তারা। তবে খুব শীঘ্রই জওয়ানরা ভিতরে ঢুকতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন আইটিবিপির মুখপাত্র বিবেক কুমার পাণ্ডে।

অন্যদিকে, ঋষিগঙ্গার উপর দিয়ে দড়ির সাহায্যে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া গ্রামগুলোতে খাবার, জল এবং ওষুধ পৌঁছে দিচ্ছেন সেনা, আইটিবিপির জওয়ানরা। এই বিপর্যয়ের জেরে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে রেনি, পাং, লতা, সুরাইথোটা, সুকি, ভালগাঁও, তোলমা, ফাগরাসু, গহর, লং সেগদি, ভাঙ্গুল, জুগারওয়ার এবং জুগজু গ্রাম।

- Advertisement -

এই বিপর্যয় প্রসঙ্গে মঙ্গলবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শা। তিনি বলেন, ‘বিপর্যয়ের ওপর নজর রাখছে কেন্দ্র সহ রাজ্যের প্রত্যেকটি সংস্থা। সমন্বয় রেখেই উদ্ধারকাজ চলছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন। উত্তরাখণ্ডকে সব ধরনের সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।’

উত্তরাখণ্ডের ধস বিপর্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই চামোলিতে পৌঁছেছে দেহরাদুনের ওয়াদিয়া ইনস্টিটিউট অফ হিমালয়ান জিওলজি থেকে বিজ্ঞানীদের দুটি দল। গবেষক সন্তোষ রাই জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়েছে। এই বন্যার অন্যতম কারণ হিমবাহ ভেঙে পড়া নয়। বরং প্রচুর পরিমাণ বরফ গলে পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নীচে পড়ে। বিজ্ঞানীদের দুটি দল পাঠানো হয়েছে। আরও নির্ভুল তথ্য পাওয়া যাবে।