উত্তরাখণ্ড বিপর্যয়ে নিখোঁজ ১৩৬ জনকে ‘মৃত’ ঘোষণার সম্ভাবনা

70
সংগৃহীত

দেহরাদুন: ৭ ফেব্রুয়ারি প্রবল জলোচ্ছ্বাসে বিপর্যস্ত হয়েছিল ধৌলিগঙ্গা, অলকানন্দা, চামোলি ও জোশীমঠ এলাকা। সেই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে ৭০ জনের। ঘটনার পর দুই সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও এখনও নিখোঁজ ১৩৬ জন। জানা গিয়েছে, নিখোঁজ সকলকেই ‘মৃত’ বলে ঘোষণা করতে পারে উত্তরাখণ্ড সরকার।
প্রসঙ্গত, বেশকিছু দিন ধরে ওই এলাকায় বৃষ্টিপাত চলছিল। ৬ ফেব্রুয়ারি রাতেই জারি করা হয়েছিল সতর্কতা। এরপরই রাতে জোশীমঠে নন্দাদেবীর হিমবাহে ফাটল ধরতে শুরু করে। এর ফলে ৭ তারিখে সকালে তুষারধস নামে চমোলি জেলায়। হিমবাহ ভেঙে পড়ার পর প্রবল তোড়ে জল নেমে আসতে থাকে। চামোলি জেলার তপোবন এলাকার রানি গ্রামে ঋষিগঙ্গা বিদ্যুৎ প্রকল্পে হিমবাহ ভেঙে পড়ায় জলে ভেসে গিয়েছে আশেপাশের এলাকা। জলের দাপটে রেইনি গ্রাম এলাকায় হাইড্রো পাওয়ার প্রোজেক্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঋষিগঙ্গা বিদ্যুৎ প্রকল্পে কর্মরত বহু শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন। তবে ভয়ঙ্কর বিপর্যয়ের মধ্যেও হিমবাহের স্রোতে টানেলের মুখ বন্ধ হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও অবিশ্বাস্যভাবে প্রাণে বেঁচে ফিরেছেন কিছু কর্মী। বন্যার পর থেকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় এনডিআরএফ, আইটিবিপি ও সেনা জওয়ানরা উদ্ধারকাজ শুরু করেন।