ভ্যাকসিন বানানো কি মুখের কথা?

1492

উত্তরবঙ্গ সংবাদের জন্য কলম ধরেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিভল্যান্ড স্টেট ইউনিভার্সিটির মলিকিউলার জেনেটিক্সের বিশিষ্ট অধ্যাপক বর্ষণজিৎ মজুমদার।

বর্ষণজিৎ মজুমদার
অধ্যাপক (মলিকিউলার জেনেটিক্স), ক্লিভল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়, আমেরিকা

শত্রুকে চিনে নেওয়া
কোভিড-১৯ নিয়ে সারা পৃথিবীর বিজ্ঞানীদের যে মৌলিক গবেষণা শুরু হয়েছে তাতে একটা ইংরেজি প্রবাদ খুব মনে পড়ছে, বন্ধুকে কাছে রাখো কিন্তু শত্রুকে আরো অনেক কাছে। এই যে এই মুহূর্তে এই মারণ ভাইরাসের সাথে যুদ্ধে আমরা অস্ত্রহীন, তার মূল কারণটাই হলো এই ভাইরাস এতদিন অচেনা ছিলো। কিন্তু গত চার মাসে এই কোভিড-১৯ কে নিয়ে সারা বিশ্বে শুরু হয়েছে অক্লান্ত মৌলিক গবেষণা। যার ফলে এখন আমাদের চোখের সামনে ফুটে উঠছে এই শত্রু কি ভাবে দেহকোষের তালা ভেঙে ভেতরে ঢোকে, ফুটে উঠছে তার হাত, পা, চোখ, মুখ, হৃৎপিণ্ড এবং বুদ্ধির একটা পুঙ্খানুপুঙ্খ ছবি। এই ভাইরাসের কোনো অঙ্গ প্রত্যঙ্গ নেই, ভাইরাসের বিভিন্ন প্রোটিনই তার অঙ্গ প্রত্যঙ্গ । মনে রাখবেন এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে জীবনদায়ী ওষুধ কিন্তু আপনা আপনি আবিষ্কার হবে না, তার জন্য দরকার হবে ভাইরাসের অঙ্গ প্রত্তঙ্গ হিসেবে কাজ করা প্রোটিনগুলোর নিখুঁত আণবিক গঠনের ছবি। এই ছবিটা ভীষণ দরকার ভাইরাসের এই অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলোকে অকোজো করে দেবার মহার্ঘ অস্ত্র বানানোর জন্য। আণবিকগঠন-জীববিদ্যা বা Structural Biology-র অভূতপূর্ব প্রযুক্তি এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিষেধক আবিষ্কারের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার।আরেকটা কথাও আমাদের মনে রাখা উচিত যে এই ভাইরাসের শক্তির মূল উৎস তার ক্ষুদ্রতা, দ্রুততা এবং নৈঃশব্দ। এই শক্তির মুলে আঘাত করার একমাত্র পথ মৌলিক গবেষণা, এবং এই মৌলিক গবেষণাভিত্তিক তথ্য ছাড়া অ্যান্টিভাইরাল পেয়ে যাওয়ার চিন্তা করাটা বাতুলতা।

- Advertisement -

কাঁচি নিয়ে পথ চলে ভাইরাস
তাহলে চলুন দেখে নেয়া যাক কিসের ভিত্তিতে তৈরী হচ্ছে আগামী দিনের মহার্ঘ কোভিড-১৯-এর প্রতিষেধক যা আটকাতে পারে এই মহামারী। দেখুন ছবি ১ এই ভাইরাস স্পাইক প্রোটিন দিয়ে দেহকোষের ACE 2 তালা খুলে ভেতরে ঢুকে পড়েই ছেড়ে দেয় নিজের RNA র জিন সংকেত, কোষের প্রোটিন তৈরির কারখানা Ribosome কে হুকুম করে বানাও প্রোটিন, আমাকে বেড়ে উঠতে দাও। তৈরী হয় ORF1ab। ঠিক যেন এটিএম মেশিনে কার্ডের পাসওয়ার্ড দিয়ে টাকা তোলার মতন। এই ORF1ab দুটো মস্ত বড় প্রোটিন, কিন্তু ভাইরাসের কোনো কাজেই লাগে না যতক্ষণ না পর্যন্ত কেটে টুকরো টুকরো করা হয়। গোটা প্রোটিনটা মৃত, কিন্তু প্রাণ ফিরে পায় টুকরো টুকরো হলে (বেশ একটা ভৌতিক ব্যাপার)।কিন্তু টুকরো টুকরো করবে কে? এই ভাইরাসটি প্রখর বুদ্ধিমান, কাঁচিটিকেও সঙ্গে করে নিয়ে আসে। এই কাঁচিটি ভাইরাসের একটি প্রোটিয়েজ নাম PL2Pro-3CLPro। এই টুকরো টুকরো হয়ে গিয়ে বেঁচে ওঠা প্রোটিন দলের একটি প্রোটিন RNA-Dependent RNA Polymerase বা RDRP । আর অন্য প্রোটিনগুলোর কয়েকটি RDRP র সহকারী আর বাকি কয়েকটি কাজে লাগে দেহের প্রতিরক্ষা কোষ বাহিনীকে ধোঁকা দিতে আর দেহকোষকে দিয়ে নিজের কাজ করিয়ে নিতে। ঠিক ধুরন্ধর রাজনীতিবিদদের মতো। এই RDRP ভাইরাসের প্রাণভোমরা, কারণ এটি হাজার হাজার বার কপি করে ফেলে ভাইরাসের RNA জিনোমকে, এক একটি কপি থেকে তৈরি হয় এক একটি জ্যান্ত ভাইরাস। আবার অন্যদিকে ভাইরাসের RNA copy ছাড়াও তৈরী হয় বিভিন্ন রকমের মেসেঞ্জার RNA, তার থেকে তৈরী হয় বিভিন্ন রকমের প্রোটিন যা RNA জিনোমের সাথে মিশে তৈরী করে নতুন ভাইরাস। এই নতুন ভাইরাস বানাবার সময় নিজেকে সাজিয়ে গুছিয়ে নেয় দেহ কোষের গলগি যন্ত্রকে চাকর হিসেবে ব্যবহার করে। সোজা পৌঁছে যায় কোষের মেমব্রেনে, মেমব্রেনের লিপিডকে ছিনিয়ে নিয়ে নিজেকে ঢেকে নেয় বর্মে, আবার আক্রমণ করে নতুন দেহ কোষকে। ঘটনাগুলো একটা ক্রাইম সিরিজের গল্পের মতো শোনালেও তার উপাদান বিজ্ঞানীরা সংগ্রহ করেছেন এই সাংঘাতিক মৃত্যুদূতকে ল্যাবরেটরিতে কালচার করে।

খোঁজ চলছে এক্সপেরিমেন্টাল ড্রাগের
আজকে এই মুহূর্তে এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে যতগুলো এক্সপেরিমেন্টাল ড্রাগ ক্লিনিকাল ট্রায়াল এ আছে তার বেশির ভাগটাই টার্গেট করছে ভাইরাসের তালা চাবি , কাঁচি আর ফটোকপি মেশিনকে ভেঙে দেবার কাজে। ছবি ১-এ গোটা ব্যাপারটা ধরা আছে দেখুন। ওই তালা চাবি , কাঁচি আর ভাইরাসের ফটোকপি মেশিনের আণবিক গঠনের একটা নিখুঁত ছবি গত দু-মাসের মধ্যে বিজ্ঞানীরা তুলে ফেলেছেন ক্রায়ো ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপ আর এক্স রে ডিফ্র্যাকশন যন্ত্রেও এবং এই ছবির মাপে মাপে মিলিয়ে বুঝতে পারছেন কোন রাসায়নিক যৌগ কাঁচি বা ফটোকপি মেশিনের সাথে আটকে গিয়ে যন্ত্রটাকে নষ্ট করে দিতে পারে।

ছবি ১

Recombinant ACE2 : নকল তালা যা স্পাইক প্রোটিনের চাবির সাথে আটকে গিয়ে ভাইরাসকে আসল তালার (ACE receptor of human cell) কাছে পৌঁছতে দেবে না। বর্তমানে দ্বিতীয় পর্যায়ের ক্লিনিকাল ট্রায়ালে আছে।

Alpha Keto amide : CLPro কাঁচির আণবিক গঠনের সাথে আটকে গিয়ে কাঁচি কে অকোজো করে দেয়, প্রথম পর্যায়ের ক্লিনিকাল ট্রায়ালে (ছবি ২ দেখুন )। Remdesivir: RDRP নামের ফটোকপি মেশিনের আণবিক গঠনের সাথে আটকে গিয়ে নতুন RNA copy করাকে বন্ধ করে, দ্বিতীয় পর্যায়ের ক্লিনিকাল ট্রায়ালে। সাম্প্রতিক ফলাফল অত্যন্ত ভালো।

ছবি ২

Favipiravir: Remdesivir এর মতোই, RDRP র কপি করার কাজটা বন্ধ করে দিতে পারে, Harvard Medical School-এর ক্লিনিকাল ট্রায়ালে ভালো ফল দেখাচ্ছে (ছবি ৩ দেখুন)।

(ছবি ৩

তবে মনে রাখতে হবে যে এটি একটি ধূর্ত RNA ভাইরাস যা মিউটেশন করে নিজের প্রোটিনের গঠনকে রদবদল করে ফেলার ক্ষমতা রাখে , সেটা হলে তখন একটা ড্রাগ কাজ নাও করতে পারে। সেক্ষেত্রে ড্রাগ পাইপলাইনে আরো অনেক অ্যান্টিভাইরাল থাকতে হবে, একটা কাজ না করলে আরেকটা। এই কাজটাও হচ্ছে আণবিক গঠন এবং যন্ত্রগণক নির্ভর বুদ্ধিমত্তার ওপর ভর করে যার পোশাকি নাম Machine Driven Artificial Intelligence (ছবি ৪ দেখুন) ।

ছবি ৪

ভ্যাকসিন চাই, ভ্যাকসিন
ভ্যাকসিন, ভ্যাকসিন, ভ্যাকসিন! গত কয়েকদিন ভ্যাকসিন নিয়ে বাজার বেশ গরম। বেশিরভাগটাই যে যার মতো করে একটা গল্প কাহিনিতে ঢেকে পরিবেশন করছেন। এর পেছনে যে প্রতিষেধক কোষের গভীর এবং জটিল প্রক্রিয়া কাজ করছে এবং একটা কার্যকরী ভ্যাকসিনকে কতটা ঝুঁকিপূর্ণ পথ পেরোতে হয় সেকথাটা অনেক রাষ্ট্রপ্রধান থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ, কেউই বুঝতে চাইছেন না। কেউ বলছেন ভ্যাকসিন রেডি, কেউ বলছেন এই বছরের জুন-জুলাইয়ে পেয়ে যাবো। একটা কথা জেনে রাখুন, নেতাদের কথা অনুযায়ী ভ্যাকসিন ট্রায়াল চলে না। আসুন, জেনে নিই কীভাবে তৈরি হয় একটা জটিল অসুখের, একটা অজানা ভাইরাসের প্রতিষেধক। আজ দুটি ভ্যাকসিন নিয়ে একটু কথা বলা যাক, যাদের কাজ বেশ খানিকটা এগিয়েছে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনার ইনস্টিটিউটের বানানো ভ্যাকসিন ChAdOx1nCoV-19: এই ভ্যাকসিন এর মানবদেহে প্রয়োগের কাজে নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রফেসর অ্যান্ড্রু পোলার্ড। প্রফেসর সারা গিলবার্ট এই ভ্যাকসিনের প্রি-ক্লিনিকাল গ্রুপের নেতৃত্ব দিয়েছেন।এই ভ্যাকসিন আসলে কি ?

ছবি ৫

(ছবি ৫ দেখুন ব্যাপারটা বোঝানো আছে) শিম্পাঞ্জির সর্দি কাশি হয় এমন একটি ভাইরাস (এডিনো ভাইরাস ) এর মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে কোভিড-১৯ ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনের জীন সংকেত। শিম্পাঞ্জির এই ভাইরাসটি একটি দুর্বল সংস্করণ, এটি মানবদেহর মধ্যে ঢুকে পড়তে পারে কিন্তু রোগ সৃষ্টি করতে পারে না। এই ভাবে দেহের মধ্যে ঢুকে গিয়ে স্পাইক প্রোটিনের জীন সংকেতকে ব্যবহার করে বানিয়ে ফেলে কোভিড-১৯ ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিন। এই প্রোটিনকে দেখেই B সেল, T সেল আর প্লাজমা সেলের সংঘবদ্ধ জোট বানিয়ে ফেলে স্পাইক প্রোটিনের বিরুদ্ধে কার্যকরী অ্যান্টিবডি। এবার যখন সত্যি সত্যি সংক্রমণ হলো তখন আগের থেকে রয়ে যাওয়া অ্যান্টিবডি এবং B সেলের স্মৃতি থেকে (Memory B Cell ) নতুন বানানো অ্যান্টিবডি আসল কোভিড-১৯ ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনে আটকে গিয়ে তাকে অকোজো করে দেবে এবং কোষ বিধ্বংসী T cell অ্যান্টিবডির লেগে থাকাটাকে টার্গেট হিসেবে দেখে সংক্রামিত কোষকে ধ্বংস করে মানবদেহকে ভাইরাস মুক্ত করবে। এই ভ্যাকসিনের গত সপ্তাহে প্রথম পর্যায়ের ক্লিনিকাল ট্রায়াল শুরু হয়েছে।

mRNA ভ্যাকসিন : এই প্রতিষেধকের ক্লিনিকাল ট্রায়াল শুরু হয়েছে Moderna এবং National Institute of Allergy and Infectious Disease (NIH) এর যৌথ উদ্যোগে। এখানে সরাসরি মানবদেহে ঢোকানো হচ্ছে স্পাইক প্রোটিনের জীন সংকেত (mRNA)। এই লিপিড ন্যানো পার্টিকলে মোড়া mRNA সরাসরি ঢুকে পড়বে দেহকোষে, দেহকোষের প্রোটিন বানানোর যন্ত্র রাইবোসোম, বানিয়ে ফেলবে কোভিড-১৯ ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিন। তারপর অ্যান্টিবডি তৈরির কার্য প্রণালীটা আগের বর্ণনার মতোই। এই পদ্ধতি কিন্তু কোনো অপরীক্ষিত পদ্ধতি নয়, বেশ কয়েকবছর আগেই Moderna র বিজ্ঞানীরা এই পদ্ধতি সাফল্যের সাথে প্রয়োগ করেছেন বাঁদরের ওপর এবং সেই কাজ প্রকাশিত হয়েছিলো Molecular Therapy নামের একটি জার্নালে (ছবি ৬ দেখুন)।

ছবি ৬

কীভাবে হয় ক্লিনিকাল ট্রায়াল
এই দুটি ভ্যাক্সিনেরই প্রথম পর্যায়ের ক্লিনিকাল ট্রায়াল শুরু হয়েছে। mRNA ভ্যাকসিনের এক মাস আগে আর অক্সফোর্ড ভ্যাকসিনের গত সপ্তাহে। প্রথম পর্যায়ে দেখা হবে এই ভ্যাকসিন মানব দেহে কোনো বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করছে কিনা এবং কিছু সময় অন্তর অন্তর ELISA টেস্ট করে দেখা হবে সত্যি এই স্পাইক প্রোটিন অ্যান্টিবডি তৈরি করছে কিনা বা করলেও তার স্থায়িত্ব কতটা (Antibody Response and Stability ), ভ্যাকসিন দেবার পর B সেল , T সেলকেও সেল সর্টিং মেশিনে যাচাই করে দেখা হবে। তারপর শুরু হবে দ্বিতীয় পর্যায়। এখানে বিভিন্ন গোষ্ঠীকে দেওয়া হবে ভ্যাকসিন, একদলকে ভ্যাকসিনের বদলে দেয়া হবে অন্য কিছু (হয়তো শুধুই স্যালাইন ) কিন্তু কেউ জানবে না কে আসল ভ্যাকসিন পেলো আর কে পেলো না। এটাকে বলে blind and randomised control, এরাও মহামারীর সময় জনজীবনেই থাকবে। এবার দেখা হবে এই দলের মধ্যে কারা কারা সংক্রামিত হলো আর কে হলো না। যদি দেখা যায় যারা সত্যি ভ্যাকসিন পেয়েছে তাদের মধ্যে সংক্রমণ হয় নি এবং যারা সত্যি ভ্যাকসিন পায় নি তাদের মধ্যে সংক্রমণ বেশি তাহলেই বোঝা যাবে দ্বিতীয় পর্যায়তে সাফল্য এসেছে। এইরকম blind আর Random study অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা বুঝতে গেলে, তারপর তৃতীয় পর্যায় যেখানে আরো বৃহৎ জনগোষ্ঠীর ওপর ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা।

আরো একটা কথা এই প্রসঙ্গে বলে রাখি, ভ্যাকসিনের ক্লিনিকাল ট্রায়াল চালাতে গেলে মহামারীর থাকাটাও দরকার, মানে যখন প্রচুর লোক সংক্রামিত হচ্ছেন। কথাটা শুনতে একটু খারাপ লাগলেও কথাটা সত্যি, সেটা না থাকলে বোঝা যাবে না ভ্যাকসিন নিয়ে যারা সংক্রমণ থেকে বেঁচে গেলো তারা সত্যি ভ্যাকসিনের জন্য বাঁচলো না সত্যি মহামারীর প্রকোপ কমে গেলো বলে বাঁচলো। এই প্রসঙ্গে শুনে নিন অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন গ্রূপের প্রধান প্রফেসর অ্যান্ড্রু পোলার্ড-এর কথা “We are chasing the end of the current pandemic wave. If we don’t catch that, we won’t be able to tell whether the vaccine works” .

আমি মাত্র দুটির কথা বললাম, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী এই মুহূর্তে সাতটি ভ্যাকসিনের ট্রায়াল শুরু হয়েছে বা শুরু হতে যাচ্ছে, আরো অনেকগুলো ট্রায়াল অপেক্ষারত শুরু হবার জন্য। আমি দৃঢ় ভাবেই বিশ্বাস করি এই যে বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ ভাইরাসের ভ্যাকসিন নিয়ে একটা বিরাট কর্মযজ্ঞ চলছে তার থেকে একটা সূর্যোদয় হবেই। এই আঁধার কাটবেই। তখন যেন আমরা ভুলে না যাই এই পর্দার আড়ালে থাকা বিজ্ঞানীদের কথা।