রায়গঞ্জ, ২৬ ফেব্রুয়ারিঃ রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের নিজস্ব সংগঠন থাকলেও রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে সেটা নেই। এমনকী অরাজনৈতিক সংগঠন ‘রুটা'(রায়গঞ্জ ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন)কে স্বীকৃতিও দিচ্ছেন না বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। এমনটাই অভিযোগ ‘রুটা’র সদস্য-কর্মকর্তাদের।
রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৬০ জন শিক্ষক ‘রুটা’ নামক সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত আছেন। এই অবস্থায় উপাচার্য অনিল ভুঁইমালি ‘রুটা’কে অনুমোদন না দেওয়ায় শিক্ষকদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করছেন বলে মনে করেন রুটার সদস্য-সদস্যারা। রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটা’র সম্পাদক অধ্যাপক অশোক দাস বলেন, আমরা অধ্যাপকরা সংগঠন করতে পারব কী না সেই বিষয়ে উপাচার্য কিছু বলতে পারেন না। তবে আমরা জোরকদমে সংগঠন করে চলেছি। এই প্রসঙ্গে যাদবপুর ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের (জুটা) সম্পাদক পার্থপ্রতিম রায় বলেন, ‘কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে বা স্ট্যাটুটে অধ্যাপকদের সংগঠনের কথা লেখা থাকে না। সংগঠন করা শিক্ষকদের সাংবিধানিক অধিকার। রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অনিল ভুঁইমালি নিজেই উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের টিচার্স কাউন্সিলের সম্পাদক ও সভাপতি ছিলেন। তাহলে সেটা কি বেআইনি ছিল? শিক্ষকদের সংগঠন করতে কারোর অনুমতির দরকার নেই। আসলে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যদি বেআইনি কাজ হয়, তাহলে সেখানকার শিক্ষকরা একত্রিত হলে কর্তৃপক্ষ বাধা দেবেন সেটাই স্বাভাবিক। এই প্রসঙ্গে উপাচার্য অনিল ভুঁইমালিকে ফোন করা হলে তিনি ফোন ধরেন নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দুর্লভ সরকার বলেন, ‘এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করবো না’।