কুলিক ও নাগরের উপচানো জলে বিচ্ছিন্ন গ্রামের পর গ্রাম

317

রায়গঞ্জ: এক নাগাড়ে বৃষ্টির জেরে নতুন করে জলমগ্ন হয়ে পড়ল উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ ব্লকের একাধিক গ্রাম। সেইসঙ্গে ফুলে-ফেঁপে ওঠা কুলিক ও নাগর নদীর জলের তোড়ে ভেসে গেল বাঁশের সাঁকো। ফলে জোড়া নদীর ওপারের বিহার সংলগ্ন যুগিয়ারমের, গোয়ালকোর এবং রহমতপুর গ্রামগুলোর যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন। গৌরী গ্রাম পঞ্চায়েতের পাড়েরগ্ৰাম, বালিরপাড়, নিমতলা, ভিটিহার, অনন্তপুর, দুপদুয়ার, নয়াটলি এবং ছোট ভিটিহার এলাকার বহু বাসিন্দা কার্যত জলবন্দি হয়ে পড়েছে। বিঘার পর বিঘা আবাদি জমি কার্যত জলের তলায়। জমিতে উৎপাদিত পাট জলে ভাসছে। জলে ভাসছে স্থানীয় হাট-বাজার চত্বর। জলমগ্ন পঞ্চায়েতের শ্যামপুর থেকে পারেরগ্রামে সড়ক যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

পাশাপাশি গ্রামে যাতায়াতের একমাত্র ভরসা নৌকা। স্থানীয় হাতিয়া হাইস্কুলে আসা-যাওয়া করতে এখন পারের গ্রামের ছাত্র-ছাত্রীদের নৌকাই একমাত্র ভরসা। কুলিক নদীর জলের তলায় পারের গ্রামের শ্মশান। এলাকার অনেক চালাঘর জলের তোড়ে ভেঙে পড়েছে। নিরাশ্রয় হয়ে পড়ছে অনেক মানুষজন। অনেকে কুলিক বাঁধের পাড়ে ঠাঁই নিয়েছেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ত্রিপল না মেলায় ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে জলমগ্ন বাসিন্দাদের মধ্যে।

- Advertisement -

স্থানীয় কৃষক আজগর আলির অভিযোগ, ‘জলে সব পাট নষ্ট হয়ে গেল। আমন ধান লাগাতে পারছি না। সরকারি কোনও ক্ষতিপূরণ নেই। কিভাবে আমন ধান লাগাবো।’

রায়গঞ্জের বিডিও রাজু লামা বলেন, ’জলমগ্ন এলাকায় ত্রাণ পাঠানো হয়েছে। ত্রিপল মজুত রয়েছে। কিছু ত্রিপল জলমগ্ন এলাকায় সরবরাহের জন্য পঞ্চায়েতে পাঠানো হয়েছে।‘