নিম্নমানের রাস্তার কাজের অভিযোগে রাজ্য সড়ক অবরোধ ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের

165

কুশমন্ডি: নতুন রাস্তার কাজ করে ঠিকাদার চলে যাবার একদিন পরেই উঠে গেল রাস্তার পিচ। শনিবার ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা বুনিয়াদপুর-কালিয়াগঞ্জ ১০ নম্বর রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে রাস্তার কাজ নতুন করে সংস্কার নাকরলে লাগাতার আন্দোলন সহ পথ অবরোধের হুমকি দিলেন গ্রামবাসীরা।

এদিন সকাল ১০-১১টা পর্যন্ত ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা পথ অবরোধ করেন। কালিকামরা পঞ্চায়েতের উপপ্রধান পিয়ারজান আলি বলেন আমিনপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে দেহাবন্দ পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার রাস্তার কাজ এতটাই নিম্নমানের হয়েছে যা বলার মত নয়। তিনি বলেন, ‘গতকাল সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের লোকজন রাস্তার কাজ শেষ করে চলে যায়। আজ সকালেই গাড়ির চাকার সাথে পিচ উঠে যেতে শুরু করে।‘ তিনি বলেন, ‘বিষয়টি সকলের নজরে আসতেই ক্ষুব্ধ হয়ে যান ওই রাস্তায় রোজ চলাচলকারী গ্রামের মানুষ। এরপর ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা ১০ নম্বর রাজ্য সড়ক অবরোধ করেন।‘

- Advertisement -

বেলপুকুর গ্রামের রাজ্জাক হোসেন বলেন, ‘আমিনপুর থেকে দেহাবন্দ পর্যন্ত রাস্তার কাজ সবটাই খুব নিম্নমানের হয়েছে। রাস্তার কাজ নিম্নমানের হচ্ছে এই অভিযোগ এর আগে আমরা ব্লক প্রশাসনকে জানিয়েছিলাম। কিন্তু কোন লাভ হয়নি। তাই আজ রাজ্য সড়ক অবরোধ করতে আমরা বাধ্য হয়েছি।‘ বলেন, ‘আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে রাস্তার কাজ পুনরায় সংস্কার নাকরা হলে বেলপুকুর, কুরশাপুকুর, কামালদিন, কাজিপাড়া, কাফিহার, আমিনপুর সহ সরলা, দেহাবন্দ গ্রামের মানুষ এক সঙ্গে আন্দোলনে নামবেন। আগামী বিধানসভা ভোটে শাসকদলের বিরুদ্ধে যাবে।

আজ সকাল ১০টা থেকে পথ অবরোধ শুরু হয় এক ঘন্টা ধরে পথ অবরোধে আটকে পারেন মালদা, বালুরঘাট, রায়গঞ্জ, শিলিগুড়ি যাবার সমস্ত গাড়ি। অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কুশমন্ডি থানার পুলিশ। অবরোধকারীদের বুঝিয়ে অবরোধ তুলে দেওয়া হয়। তবে আগামী সপ্তাহে যে আবার পথ অবরোধ হবে না এমনটা নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ প্রশাসন।

এদিকে, ব্লকের জয়েন্ট বিডিও সোহম চৌধুরী জানান, বিষয়টি জেলা প্রশাসনের নজরে আনা হয়েছে। রাস্তার কাজ শেষ করবার পরের দিন পিচ উঠে যাবার খবর পেয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন গঙ্গারামপুর মহাকুমার মহকুমাশাসক মানবেন্দ্র দেবনাথ। তিনি বলেন, ‘এই বিষয়ে তিনি জেলাশাসকের সঙ্গে আলোচনা করবেন। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আমিনপুর থেকে দেহাবন্দ পর্যন্ত রাস্তার কাজ পুনরায় সংস্কার নাকরা হলে বড় আন্দোলনের সামনে পড়তে হবে প্রশাসনকে এমন অভিমত এলাকার প্রবীণ মানুষদের।‘