অধরা সেতু, প্রশাসনিক দপ্তরে ফের দরবার করবেন গ্রামবাসীরা

116

গাজোল: স্বাধীনতার পর পেড়িয়েছে ৭৩ বছর। যদিও হবিবপুর এবং গাজোল ব্লকের মাঝবরারব টাঙন নদীর উপর সেতু অধরাই থেকে গিয়েছে। পারাপারের একমাত্র ভরসা নৌকা। এই পরিস্থিতিতে বহুবার পাকা সেতুর দাবি তুলে ধরেছিলেন স্থানীয়রা। একাধিক প্রশাসনিক দপ্তর থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিদের কাছে দরবার করেছিলেন। এরপর অবশ্য কিছুটা আশোর আলো দেখেছিলেন গ্রামবাসীরা। সেতু নির্মাণের বিষয়ে খানিকটা তৎপরতা দেখা গিয়েছিল প্রশাসনিক মহলে। যদিও শুরুতেই অস্তমিত হয়ে যায় সেই উদ্যোগ।

গাজোল শহর এলাকা থেকে প্রায় কিমি দূরে রানীগঞ্জ। একসময় অখ্যাত গ্রাম থাকলেও এখন সচ্ছল গঞ্জের চেহারা নিয়েছে এই এলাকা। পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে টাঙন নদী। নদীর ওপারটা হবিবপুর ব্লক। এপারের কিছু অংশ আবার পুরাতন মালদা ব্লকের অন্তর্গত। এখানেই রয়েছে নদী পারাপারের একটি ঘাট। গ্রীষ্মকালে যখন জল শুকিয়ে যায় তখন ঘাটোয়াল নদীর উপর বাঁশের সাঁকো তৈরি হয়। তবে বর্ষাকালে দুই গ্রামের হাজার হাজার মানুষের ভরসা একমাত্র নৌকা।

- Advertisement -

হবিবপুর ব্লকের গোপাল মণ্ডল অধীর মন্ডল জানান, হবিবপুর থেকে মালদা পৌঁছোতে দীর্ঘ পথ ঘুরতে হয়। তবে, নদী পেড়িয়ে গেলে ক্ষণিকেই পৌঁছে যায় মালদা শহরে। তবে সেতু না থাকায় সমস্য়ায় পড়তে হয়। বিশেষ করে সমস্য়ায় পড়তে হয় রাতে। কেননা, রাতে নৌকা বন্ধ থাকে। সেসময় কোনও প্রয়োজন হলে ঘুরপথে চলাচল করতে হয়। আক্ষেপের সুরে একই কথা জানালেন সত্তরোর্ধ্ব গোপাল সাহা সহ অন্যান্যরা।

স্থানীয় এক শিক্ষক স্নেহাংশু সাহা বলেন, সেতুর দাবিতে লাগাতার দরবার করে মাঝে আশার আলো দেখেছিলাম। খবর পেয়েছিলাম ব্রিজ তৈরি হবে। খানিকটা এগিয়েছিল অবশ্য। তবে লাভের লাভ কিছু হয়নি। ফের উদ্যোগ নিচ্ছি। গণস্বাক্ষর সম্বলিত আবেদনপত্র জমা দেওয়া হবে জেলা এবং ব্লকের সমস্ত প্রশাসনিক দপ্তরে। একইসঙ্গে ফের একবার জনপ্রতিনিধিদের নজরে আনা হবে বিষয়টি।