চোপড়া, ১৮ এপ্রিলঃ দ্বিতীয় দফার ভোট শুরু হওয়ার তিন ঘণ্টার মধ্যেই রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া। আগডিমটিখন্তির পাটপাড়ায় বামফ্রন্ট প্রার্থী মহম্মদ সেলিমের উপর হামলা চালিয়ে তাঁর গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। চোপড়া জুড়েই বুথ দখল, অবাধে ছাপ্পা ভোট এবং পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ আসছে। এদিন চোপড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের দিঘিটোলা ১৮০ নম্বর বুথে বিজেপি সমর্থকদের যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।প্রতিবাদে ভোট দিতে না পারা স্থানীয় লোকজন বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। পুলিশের ভূমিকায় ক্ষোভ বাড়তে থাকায় একসময় ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ শুরু হয়। দফায় দফায় পুলিশ অবরোধকারীদের সরিয়ে দিলেও ক্ষুব্ধ জনতা বারবার ভোট দিতে দেওয়ার দাবিতে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে। বেলা সাড়ে দশটা নাগাদ পুলিশ বেধড়ক লাঠি চার্জ করে ও কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটিয়ে অবরোধকারীদের সরিয়ে দেয়।

এর আগে এখানে ভোটারদের সঙ্গে পুলিশের একপ্রস্ত ধস্তাধস্তি হয়। চোপড়ার আইসি-র সঙ্গে সাধারণ মানুষের হাতাহাতি পর্যন্ত হয়। লোকের প্রবল ক্ষোভের মুখে পুলিশ বাধ্য হয় একটি দোকান থেকে তৃণমূলের স্থানীয় এক নেতাকে গ্রেফতার করতে।

চোপড়ায় পুলিশকে শাসাচ্ছেন এক তৃণমূল নেতা। জনতার চাপে পুলিশ পরে তাঁকে গ্রেফতার করতে বাধ্য হয়।–ছবিঃ মনজুর আলম