শরীর সুস্থ রাখতে ৩০ মিনিট হাঁটুন, রইল হাঁটার আট উপকারিতা

161

আমরা সারাদিন এত ব্যস্ত যে, নিজের জন্য সময় বের করা ওঠা সম্ভব হয় না। তাই দিনের শেষে মাথা ব্যাথা, ক্লান্তিতে আমরা কাহিল হয়ে পড়ছি। এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অন্তত ৩০ মিনিট সময় বের করুন। যেখানেই হোক না কেন ৩০ মিনিট সময় নিয়ে হাঁটুন। বাইরে যাওয়া সম্ভব না হলে ছাদে বা বাগানেও হাঁটতে পারেন। হাঁটার উপকার পেতে সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন হাঁটুন। একবারে ৩০ মিনিট হাঁটতে না পারলে ১০ মিনিট করে দিনে তিনবার হাঁটা যেতে পারে। দ্রুত হাঁটুন যাতে ঘাম হয়, নাড়ির স্পন্দন বাড়ে। হাঁটা শুরুর পর প্রথম কয়েক মিনিট এবং শেষ কয়েক মিনিট ধীরে হাঁটুন। এতে শরীর মানিয়ে নেবে। তবে ভরপেট খাওয়ার পরপরই হাঁটবেন না। হাঁটার শুরুতে এবং শেষে একটু জল খেতে পারেন। ঢিলেঢালা আরামদায়ক পোশাক ও উপযুক্ত জুতো পরে হাঁটুন। হাঁটা একটি ভালো ব্যায়াম। নিয়মিত হাঁটলে যে সব উপকার পাওয়া যায়

ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণ করে : নিয়মিত হাঁটলে টাইপ-২ ডায়াবিটিসের ঝুঁকি কমে। হাঁটলে শরীরের পেশিতে ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ে। ফলে রক্তের গ্লুকোজ কমে।
ক্যানসারের ঝুঁকি কমায় : নিয়মিত হাঁটলে ওজন কমে। ফলে স্তন ক্যানসার সহ অন্য অনেক ক্যানসারের ঝুঁকি কমে।
মেজাজ ভালো রাখে : নিয়মিত হাঁটলে মস্তিষ্কে ডোপামিন, সেরোটোনিনের মতো ভালো অনুভূতি তৈরির রাসায়নিক নিঃসরণ বাড়ে। ফলে বিষণ্ণতা কমে, মন-মেজাজ ভালো থাকে। সেইসঙ্গে রাতে ভালো ঘুম হয়।
মেদ কমায় : নিয়মিত হাঁটলে মেদ কমে, ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। ভালো কোলেস্টেরল বাড়ে এবং খারাপ কোলেস্টেরল কমে।

- Advertisement -

হৃদযন্ত্র ও ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বাড়ায় : হাঁটার সময় হৃদস্পন্দন আর শ্বাসপ্রশ্বাসের গতি বাড়ে। ফলে হৃদযন্ত্র ও ফুসফুসে রক্ত সরবরাহ বাড়ে। ফলে এই দুই অঙ্গের কর্মক্ষমতা বাড়ে।
উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমায় : উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমাতে বা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হাঁটা বেশ কার্যকর। এছাড়া হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে।
হাড় ও গিঁটের জন্য ভালো : হাঁটলে হাড়ের ঘনত্ব বাড়ে এবং ক্ষয় কমে। যাঁরা নিয়মিত হাঁটেন, তাঁদের অস্টিওপোরোসিস কম হয়। গিঁট সুস্থ থাকে।
শারীরিক কর্মক্ষমতা বাড়ায় : হাঁটার ফলে পেশিতে রক্ত সরবরাহ বাড়ে। এতে পেশির শক্তি বাড়ে।