ফখরের রানআউটে কাঠগড়ায় ডিকক

জোহানেসবার্গ : ফখর জামানের রানআউট নিয়ে বিতর্কে দক্ষিণ আফ্রিকা। রবিবার সিরিজের প্রথম ম্যাচে ফখরের আউটের সময় প্রোটিয়া উইকেটরক্ষক কুইন্টন ডিকক চালাকির আশ্রয় নিয়েছিলেন বলে পাক শিবিরের অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন শোয়েব আখতারের মতো প্রাক্তনরা।

কী হয়েছিল সেসময়?

- Advertisement -

শেষ ওভারের প্রথম বল লং অফে পাঠান ফখর। তিনি দ্বিতীয় রানের জন্য ফিরে আসার সময় ফিল্ডার এইডেন মার্করাম বল ধরে উইকেটরক্ষকের দিকে ছোড়েন। উলটো দিক হওয়ায় তা দেখতে পাননি ফখর। সেসময় ডিকক হাত তুলে বলটি বোলারের প্রান্তে থ্রো করার ইঙ্গিত করেন, যা দেখে গতি কমান ফখর। পাশাপাশি একবার পেছোনেও তাকান। মার্করামের থ্রো সরাসরি উইকেটে লাগার সময় সামান্য বাইরে ছিলেন তিনি।

সেসময় ফখর যে মেজাজে ব্যাট করছিলেন, তাতে অনায়াসেই সাদা বলে নিজের দ্বিতীয় ডবল সেঞ্চুরি পেয়ে যেতেন বলেই দাবি পাক শিবিরের। কিন্তু ১৫৫ বলে ১৯৩ রান করে ফেরেন তিনি। এই ঘটনায় কারও দিকে আঙুল তোলেননি ফখর। তাঁর কথায়, আমি দেখছিলাম হ্যারিস (রউফ) কতদূর গিয়েছে। কারণ ও একটু দেরিতে দৌড় শুরু করেছিল। আমারই বিষয়টা খেয়াল করা উচিত ছিল। এটা কুইন্টনের ভুল না। তবে এও বলেছেন, এই নিয়ে ম্যাচ রেফারি চড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। যদিও প্রোটিয়া শিবিরের দাবি, বল থ্রো নিয়ে ইশারা করেননি ডিকক। তিনি অন্য ফিল্ডারদের বোলারের প্রান্তের উইকেটের কাছে পৌঁছোনোর নির্দেশ দিচ্ছিলেন।

আইসিসির সংবিধানের ৪১.৫.১ ধারায় বলা হয়েছে, কোনও ফিল্ডার ব্যাটসম্যানের সঙ্গে চালাকি করতে পারবে না। আইন ভাঙলে ৫ রান জরিমানার পাশাপাশি ডেলিভারি বাতিল করা হবে। এই আইনেই ডিকক দোষী বলে মনে করছেন শোয়েরা। টুইট করে বিতর্কের আগুনে ঘি ঢালার পাশাপাশি বিচারের দায়িত্ব নেট জনতার ওপরে ছেড়েছেন এই পাকিস্তানি স্পিডস্টার। সূত্রের খবর, মাঠে বিষয়টি আম্পায়ারদের নজর এড়ালেও ডিককের আচরণ নিয়ে বৈঠকে বসে সিদ্ধান্ত নেবেন ম্যাচ অফিশিয়ালরা।