সাহেবপোঁতায় রাস্তা দিয়ে বইছে জল, ভাঙছে কৃষি জমি

323

শালকুমারহাট: বুধবার রাতের বৃষ্টিতে ফালাকাটা-সলসলাবাড়ি নির্মীয়মাণ চার লেনের মহাসড়কের সাহেবপোঁতার বটতলা ফের প্লাবিত হয়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাস্তার উপর দিয়ে হাঁটু সমান জল বয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। প্রথমদিকে বিপজ্জনকভাবে কিছু যানবাহন চলাচল করে। উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমের বেশ কিছু দূরপাল্লার বাস ঠেলে দেন স্থানীয় বাসিন্দারা। যাত্রীদেরও দুর্ভোগ হয়। দুপুরে জল কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় ছোটো যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এদিকে রাস্তার জল স্থানীয়দের বাড়িতে ঢুকে পড়ায় এদিনও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বাসিন্দারা। এলাকার গৃহবধূ সন্ধা রায় বলেন, ‘বৃষ্টি হলেই রাস্তার জল বাড়িতে ঢুকে যাচ্ছে। আগে কখনও এরকম হয়নি। এই মহাসড়কের জন্যই রাস্তার পাশের নালাগুলি বন্ধ হওয়ায় এবার জল-যন্ত্রণায় বাড়িতেই থাকা যাচ্ছে না।’ সম্প্রতি এরই প্রতিবাদে স্থানীয়রা পথ অবরোধও করেন। অভিযোগ,এখনও জল-যন্ত্রণার সমস্যা মেটেনি। এবার এই রাস্তার জলের ধাক্কায় এলাকার অনেকের কৃষি জমি ভাঙতে শুরু করেছে। স্থানীয় গনেশ রায়ের জমি এদিন ভেঙে যায়। অনেকের বাড়িতেও ভাঙন শুরু হয়েছে।

- Advertisement -

তবে,স্থানীয়দের একাংশ বাসিন্দা বাড়ির পাশে বেশ কিছু গার্ডওয়াল তৈরি করাতেই সমস্যা বাড়ছে বলে পালটা অভিযোগ তুলেছে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ। এই ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর প্রোজেক্টের জেনারেল ম্যানেজার সমীরণ ঘোষ বলেন, ‘কিছু মানুষ বাড়ির সামনে গার্ডওয়াল দিয়েছেন। এ কারণেই জল বয়ে যেতে সমস্যা হচ্ছে। আর বুধবার রাতে প্রচুর বৃষ্টি হয়েছে। রাস্তা বরাবর অন্যান্য এলাকাতেও জল জমেছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সাহেবপোঁতার বিষয়টি খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ করা হবে।’ ওখানে হাই ড্রেন করার চিন্তাভাবনা রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।