আড় বাঁধ ভাঙ্গায় জমিতে জমছে না জল, হাহুতাশ এক হাজার কৃষকের

137

মেখলিগঞ্জ:  আড় বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় গত বছর ফসলের ক্ষতি হয়েছিল। সেই বাঁধ সংস্কারের দাবি জানালেও কাজ শুরু করেনি প্রশাসন। ফলে এবছরও বর্ষায় ধান রোপণ করতে পারবে কি না তাই নিয়ে আশঙ্কায় রয়েছে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মেখলিগঞ্জের বাগডোকরা ফুলকাডাবরি অঞ্চলের ধূলাবাড়ি ও প্রেসকারের বাড়ির বাসিন্দারা। স্থানীয়দের দাবি, দুটি মৌজার কৃষি জমির জল সুতি নদী নামে একটি ছোটো নিকাশি নালার দিয়ে বাংলাদেশের প্রভাবিত হয়। এই দুই মৌজার প্রায় আড়াই থেকে তিন হাজার বিঘা জমিতে বর্ষায় জল জমে না। এরপর কয়েকবছর আগে জমি গুলিতে জল ধরে রাখতে সুতি নদীতে একটি আড় বাঁধ দেয় প্রশাসন। সেই আড় বাঁধের ফলে সুতি নদীর জল জমা হয়ে সেই জমি গুলি জলমগ্ন হয়। ফলে সেখানকার কৃষকরা ধান চাষ করতে পারেন। কিন্তু গত বছর মাঝ বর্ষায় সেই আড় বাঁধের একটা অংশ ভেঙ্গে যায়। হটাৎ করে ধান চাষের জমিতে জল শুকিয়ে ভালো ফসল পায়নি। ফলে সেই আঁড় বাঁধ সংস্কারের দাবি জানায় স্থানীয়রা। কিন্তু অভিযোগ প্রশাসনকে জানিয়েও কোন ভ্রুক্ষেপ নেই প্রশাসনের আধিকারিকদের। যার ফলে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য বঙ্কিম রায়ও স্বীকার করেছেন ওই বাঁধ সংস্কার না করলে কৃষকরা সমস্যায় পড়বেন। কিন্তু প্রধান সহ অন্যান্য আধিকারিকদের জানিয়েও কাজ হচ্ছে না বলেই অভিযোগ তাঁর। তিনি বলেন,’আমাদের এই সমস্যা নিয়ে বার বার প্রশাসনের দারস্থ হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি।’ এনিয়ে যদিও প্রধান কোয়েল অধিকারী বলেন, ‘বর্তমানে গ্রাম পঞ্চায়েতের হাতে তহবিল কম রয়েছে। তবুও চেষ্টা চালানো হচ্ছে বাঁধের ভাঙা অংশ মেরামত করার।’ অন্যদিকে এনিয়ে মেখলিগঞ্জের বিডিও  অরুণ কুমার সামন্ত বলেন, ‘খোঁজ নিয়ে দেখছি।’

- Advertisement -