জল বাড়ছে ফুলাহারের, আশঙ্কায় গ্রামবাসীরা

40

হরিশ্চন্দ্রপুর: টানা বৃষ্টির জেরে ক্রমেই জল বাড়ছে ফুলহার নদীতে। এরই জেরে হরিশ্চন্দ্রপুর দু’নম্বর ব্লক এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ভাঙন শুরু হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা। এবিষয়ে চাঁচলের মহকুমাশাসক সঞ্জয় পাল জানিয়েছেন, সেচ দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করার পাশাপাশি সার্বিক পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে।

সূত্রের খবর, রবিবার সকালে নদীর জলের উচ্চতা ছিল ২৬.৪২ মিটার। তবে বেলা গড়াতেই বাড়তে শুরু করে জলস্তর। এদিন দুপুরে নদীর জলের উচ্চতা দাঁড়ায় ২৬.৬৫ মিটারে। ঘণ্টা কয়েকের ব্যবধানে নদীর জলস্তর বেড়েছে ২৩ সেন্টিমিটার। সেচ দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, স্থানীয়ভাবে বৃষ্টির পাশাপাশি নেপাল থেকে নেমে আসা জলের জেরেই ফুলহারের জল প্রবল গতিতে বাড়ছে। এভাবে জল বাড়লে দ্রুত নদী বিপদসীমা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন সেচ দফতরের কর্তারা। ইতিমধ্যে নদীর জল উপচে হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লকের দুটি গ্রাম পঞ্চায়েতের বেশ কিছু এলাকার রাস্তা, খেতের ফসল ডুবিয়ে দিয়েছে। দৌলতনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের খিদিরপুর, মিহাহাট, ইসলামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর ভাকুরিয়া, দক্ষিণ ভাকুরিয়া, কাওয়াডোল সহ কয়েকটি এলাকায় খেতের পাট, ধান, ভুট্টা, পটলের খেত জলে ডুবে গিয়েছে। পাশাপাশি শুরু হয়েছে নদী ভাঙনও।

- Advertisement -

জেলা সেচ দপ্তরের মহানন্দা এমবেঙ্কমেন্টের নির্বাহী বাস্তুকার বাদরুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বৃষ্টির জন্য নেপালে নদীগুলির জল বাড়ছে। নেপালের সেই জল কোশী নদী হয়ে ফুলহার নদীতে ঢুকছে। ফলে ফুলহারের জল বেড়ে চলেছে। আগামীতে নদীর জল আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। আমরা পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছি।’