জলকষ্টে ভুগছেন এলাকাবাসী, সাব মার্সিবল পাম্পই ভরসা বরুয়ার বাসিন্দাদের

71

রায়গঞ্জ: চৈত্রের কাটফাটা রোদে শুকিয়ে গিয়েছে নলকূপ ও পুকুরের জল। দুপুর ১২টা বাজতেই পাম্প করেও একফোটা জল মিলছে না। গ্রামের অধিকাংশ টিউবওয়েল অকেজো থাকায় সমস্যায় পড়েছেন এলাকাবাসী। স্থানীয়দের চাহিদা মেটাচ্ছে সাব মার্সিবল পাম্প। এদিকে সাব মার্সিবল পাম্পের জন্য জলস্তরও নেমে যাচ্ছে।

রায়গঞ্জ ব্লকের ১২ নম্বর বরুয়া অঞ্চলের মালঞ্চা, ছাতিয়ান এবং হরিগ্রামের কয়েক হাজার মানুষ জলকষ্টে ভুগছেন। প্রতিবছর ফাল্গুন এবং চৈত্র মাস পড়লেই জলের সমস্যা দেখা দেয় এই গ্রামগুলিতে। স্থানীয়রা জানান, গ্রাম পঞ্চায়েত কোনও উদ্যোগ না নেওয়ায় সমস্যা হচ্ছে। মালঞ্চা গ্রামের বাসিন্দা মনোরঞ্জন বর্মণ জানান, প্রায় ৫ বছর ধরে জলকষ্টে রয়েছেন এলাকাবাসী। প্রতিবছর চৈত্র-বৈশাখ মাস পড়লে নলকূপের জল মেলে না। জলের জন্য তাঁদের মাঠে ছুটতে হয়।

- Advertisement -

গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ধনেশ্বর বর্মণ জলকষ্টের কথা স্বীকার করে নিয়ে জানান, এই অঞ্চলের কয়েকটি বুথে জলের সমস্যা রয়েছে। সকাল ১০টা পর্যন্ত টিউবওয়েল থেকে অল্প জল মিললেও বেলা বাড়তেই এক ফোটা জল মেলে না। পঞ্চায়েত থেকে বিভিন্ন এলাকায় মার্ক-টু টিউবওয়েল দেওয়া হয়েছে। বাড়ি বাড়ি দেওয়া সম্ভব নয় বলে গ্রামের মানুষ এই টিউবওয়েল এবং সাব মার্সিবল পাম্প থেকে লাইন করে জল নিয়ে এসে প্রয়োজনীয় কাজ সারেন। এদিকে সাব মার্সিবল পাম্পের জন্য জলস্তর নেমে যাওয়ার কথাও স্বীকার করে নেন তিনি।