তিস্তা চরে হাহাকার, ৫০০ একর জমির তরমুজ এখন গোরুর খাদ্য

209

জলপাইগুড়ি: করোনা সংক্রান্ত বিধিনিষেধের সৌজন্যে বিরাট ক্ষতির মুখে জলপাইগুড়ির তিস্তাপাড়ের তরমুজচাষিরা। বিবেকানন্দপল্লির তিস্তার চর এলাকায় বহু চাষিই তরমুজ চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এলাকার প্রায় ৫০০ একর জমির তরমুজ এখন গোখাদ্য। করোনা জনিত পরিস্থিতিতে তরমুজ কিনতে কোনও মহাজন এলাকায় পা মাড়াচ্ছেন না। ফলে জমির তরমুজ জমিতেই পড়ে থাকছে।

বিঘা প্রতি তরমুজ চাষের জন্য চাষিদের খরচ ২০ হাজার টাকা। করোনা রোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিধিনিষেধ আরোপিত হওয়ার আগে বিঘা প্রতি তরমুজ বিক্রি করে চাষিরা দশ হাজার টাকা পেতেন। বর্তমানে খোলা বাজারে তরমুজ নিয়ে যাওয়া যাচ্ছে না। কারণ ক্রেতাই নেই। আবার মহাজনরাও আসছেন না। ফলে মাথায় হাত পড়েছে লালু কবিরাজ, নিশিকান্ত রায়, বিশ্বজিৎ বিশ্বাস, সুকুমার সরকার, নিরঞ্জন সরকারদের।

- Advertisement -

তরমুজ চাষি লালু কবিরাজ জানান, বিবেকানন্দপল্লি চত্বরে তরমুজ চাষের জন্য বিখ্যাত। এখানকার তরমুজ শিলিগুড়ি, কিশনগঞ্জ সহ অন্যান্য জায়গায় মহাজনরা নিয়ে যান। এবারে কোনও মহাজন আসছেন না। চোখের সামনে উৎপাদিত তরমুজ গোরুতে খাচ্ছে। এতে বিপুল ক্ষতির শিকার হতে হবে বলে আক্ষেপ তাঁদের।