কলকাতা: বজ্রবিদ্যুৎ সহ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যেই টানা বৃষ্টিতে বহু জায়গা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। জলমগ্ন বিভিন্ন এলাকা।
একটানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে কোচবিহারের বেশকিছু এলাকা। সোমবার রাত থেকে ক্রমাগত বৃষ্টির জেরে শহরের প্রায় প্রতিটি নিকাশি উপচে রাস্তায় জল জমে যায়। এদিকে তোর্ষাতেও জল বাড়ার আশঙ্কা করছেন তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা। কোচবিহার শহরের কলাবাগান, আরএনএন রোড, পুরাতন পোস্ট অফিস পাড়া, মান্টু দাশগুপ্ত পল্লি, কেশব রোড, রাজবাড়ির সামনে, বাসস্ট্যান্ড এলাকা সহ গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে জল জমেছে। প্রায় হাঁটু জল পেরিয়ে রাজবাড়িতে ঢুকতে হয়েছে পর্যটকদের। বেলা বাড়লেও রাস্তায় জল জমে থাকতে দেখা গিয়েছে। এদিকে স্টেশন চৌপথি সংলগ্ন এলাকায় একটি গাছ ভেঙে পড়ে। তৎপরতার সঙ্গে সেই গাছটি প্রশাসনের তরফে সরিয়ে নেওয়া হয়।
দখিনা বাতাসের সরবরাহ থাকায় আগামী ৭২ ঘণ্টায় কোনও কোনও জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মৌসম ভবন জানিয়েছে, ২০ সেপ্টেম্বর নাগাদ ফের একটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে বঙ্গোপসাগরে। তবে অন্ধ্র লাগোয়া সাগরে। তার জেরেই অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা তো বটেই, মধ্য ভারতও প্রবল বৃষ্টি হতে পারে। আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে বিক্ষিপ্ত ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি জেলায় দু-এক পশলা বৃষ্টি হবে। পাশাপাশি মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তি বাড়বে। সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ সহ দু-এক পশলা বৃষ্টি হতে পারে।
বজ্রবিদ্যুৎ সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে। আগামী কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তি আরও বাড়বে। প্রসঙ্গত, বেশ কিছুদিন ধরেই দুই বঙ্গে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল হাওয়া অফিস। যদিও ভারী বৃষ্টি না হলেও রাজ্যজুড়ে বিক্ষিপ্ত জায়গায় মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের আরও কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলবে। বৃষ্টি হবে হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুরেও।