শুক্রবার পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস উত্তরবঙ্গে

1591
Ayusman Chakraborty File Photo

কলকাতা: আগামী শুক্রবার পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। ফলে পাহাড়ি নদীগুলির জলস্তর বাড়ার পাশাপাশি ধসের আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা।

আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ওডিশা উপকূলের ওপর থাকা নিম্নচাপের প্রভাবে রাজ্যের উপকূলবর্তী ও ওডিশা সংলগ্ন জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গে আজ থেকে বাড়বে বৃষ্টির পরিমাণ। আগামী কয়েকদিন উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অতি বৃষ্টির জেরে পাহাড়ে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের অশনি সংকেত দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। ভারী বৃষ্টির জেরে মঙ্গলবার ধস নামে কালিম্পংগামী ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে ২৯ মাইলে। এর জেরে গতকাল সকাল থেকেই অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে কালিম্পং ও সিকিমের লাইফলাইন ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। ধসের দু’দিকেই প্রচুর যানবাহন আটকে পড়ে।

- Advertisement -

কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, মৌসুমী বায়ু উত্তরবঙ্গে এখন অতি সক্রিয় থাকায় এবং বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্প উত্তরবঙ্গে ঢোকায় আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে এই অতিবৃষ্টি চলবে। ২৬ সেপ্টেম্বরের পর থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। এদিকে বৃষ্টির জেরে কার্শিয়াং, দার্জিলিং, কালিম্পং, মিরিকের মতো পাহাড়ি পুর এলাকাগুলির নিকাশি বেহাল থাকায় জল জমেছে বাড়ি ও রাস্তায়। বৃষ্টি হচ্ছে শিলিগুড়িতেও। একটানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে কোচবিহার জেলার অধিকাংশ এলাকা। কৃষিজমির পাশাপাশি রাস্তাঘাটে জল জমে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন।

শুক্রবার পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস উত্তরবঙ্গে| Uttarbanga Sambad | Latest Bengali News | বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর | Live Breaking News North Bengal | COVID-19 Latest Report From Northbengal West Bengal India

বেশ কয়েকদিন ধরে ক্রমাগত বৃষ্টির জেরে কোচবিহার শহরের প্রায় প্রতিটি নিকাশি উপচে রাস্তায় জল জমে যায়। এদিকে তোর্ষাতেও জল বাড়ার আশঙ্কা করছেন তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা। কোচবিহার শহরের কলাবাগান, আরএনএন রোড, পুরাতন পোস্ট অফিস পাড়া, মান্টু দাশগুপ্ত পল্লি, কেশব রোড, রাজবাড়ির সামনে, বাসস্ট্যান্ড এলাকা সহ গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে জল জমেছে। বেলা বাড়লেও বৃষ্টি না কমায় রাস্তায় জল জমে থাকতে দেখা গিয়েছে। অনবরত বৃষ্টির জেরে তুফানগঞ্জ, মাথাভাঙ্গা সহ জেলার অন্যান্য এলাকাতেও একই ছবি দেখা গিয়েছে। আজ ও আগামীকাল অতিবৃষ্টির কমলা সর্তকতা জারি করা হয়েছে। এছাড়া বেশি বৃষ্টি হবে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে। দার্জিলিং, কালিম্পংয়েও ভারী বৃষ্টির সর্তকতা রয়েছে।

পাশাপাশি আগামী কয়েক ঘণ্টা কলকাতা ছাড়াও উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া ও পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। এই সময় মৎসজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।