ষষ্ঠ দফায় নজর যাঁদের দিকে

86

কলকাতা: বৃহস্পতিবার ষষ্ঠ দফার ভোটে রাজ্যের বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদের ভাগ্য পরীক্ষা হবে। তার পাশাপাশি রয়েছেন কয়েকজন সেলেব্রিটিও। অনেকের নজরই এবার রয়েছে কৃষ্ণনগর উত্তর আসনের দিকে। কারণ, সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়। তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন তৃণমূলের প্রার্থী অভিনেত্রী কৌশানী মুখোপাধ্যায়। রাজনীতির অঙ্কে বিজেপি অনেক এগিয়ে থাকলেও ভোট পরিচালনা করে অভ্যস্ত মুকুল নিজে ভোটের ময়দানে তেমনভাবে পরীক্ষিত যোদ্ধা নন। এবারের ভোটেও তাঁকে প্রচারে তেমন সক্রিয়ভাবে পাওয়া যায়নি।

পূর্বস্থলী দক্ষিণে তৃণমূলের স্বপন দেবনাথ, দমদম উত্তর কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এঁরা তিনজনই তৃণমূল সরকারের মন্ত্রী ছিলেন। দমদম উত্তরে চন্দ্রিমার বিরুদ্ধে লড়ছেন সিপিএমের বর্ষীয়ান নেতা তন্ময় ভট্টাচার্য। প্রবীণ ও অভিজ্ঞদের মধ্যে এই দফার নির্বাচনে ভাগ্য নির্ধারিত হবে রায়গঞ্জের কংগ্রেস প্রার্থী মোহিত সেনগুপ্ত, বাদুড়িয়ার আব্দুস সাত্তার, ইসলামপুরের তৃণমূল প্রার্থী আবদুল করিম চৌধুরী, নবদ্বীপের তৃণমূল প্রার্থী পুণ্ডরীকাক্ষ সাহা, ইটাহারের সিপিআই প্রার্থী শ্রীকুমার মুখোপাধ্যায়ের। হাবড়ায় তৃণমূলের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও বিজেপি নেতা রাহুল সিনহার লড়াইও উপভোগ্য হবে বলে মনে করছেন অনেকে। তবে এই পর্যন্ত রাহুলবাবু নির্বাচনি ময়দানে কখনও জয় পাননি।

- Advertisement -

অন্যদিকে, লোকসভা নির্বাচনের সময় থেকেই উত্তপ্ত হয়ে আছে ব্যারাকপুর মহকুমা। এহেন গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিতে রাজনীতিতে নেমেই তৃণমূলের টিকিটে দাঁড়িয়েছেন চিত্রপরিচালক রাজ চক্রবর্তী। ২০১৬ সালে বর্ধমানের কাটোয়া থেকে তৃণমূলের টিকিটে জিতেছিলেন রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। আবারও সেখানেই প্রার্থী হয়েছেন তিনি। রিজওয়ানুর রহমানের রহস্যমৃত্যুর পর ২০১১ সালে তাঁর দাদা রুকবানুর রহমান নদিয়ার চাপড়া থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হন। সেই থেকে পরপর দুবারের বিধায়ক। এবারেও শাসকদলের টিকিটে তিনি লড়ছেন ওই কেন্দ্র থেকেই। ২০১১ সাল থেকে চাকুলিয়ার বিধায়ক ছিলেন ফরওয়ার্ড ব্লক প্রার্থী আলি ইমরান রামজ। এবারেও চাকুলিয়া কেন্দ্রে লড়ছেন তিনি।