কিষান মান্ডিতে ধান বিক্রি করতে গেলে লাগছে প্রধানের সুপারিশ, বিক্ষোভ এই জায়গায়

100

হলদিবাড়ি: সরকার নির্ধারিত সহায়ক মূল্যে কিষান মান্ডিতে ধান বিক্রি করতে গেলে লাগছে স্থানীয় অঞ্চল প্রধানের সুপারিশ। এরপর ধান বিক্রির জন্য নাম নথিভুক্ত থাকলেও সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েতের কেপিএস এনওসি দিলে তবেই মিলবে সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রির ছাড়পত্র। স্থানীয় ব্লক প্রশাসনের তরফে এমন ফতোয়া জারি করা হয়েছে। এরফলে ধান বিক্রি করতে গিয়ে হলদিবাড়ির সাধারণ কৃষকরা চূড়ান্ত হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন। তাই কিষান মান্ডিতে সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রির আশা ছেড়ে অনেকেই খোলা বাজারে আড়তদারের কাছে তাঁদের ফসল বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। ধান বিক্রি করতে না পেরে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মীদের ঘিরে বিক্ষোভও দেখান কৃষকরা।

ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। আমন ধান কাটার মরসুম শুরু হতেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে সারা রাজ্যের পাশাপাশি কোচবিহার জেলার হলদিবাড়ি ব্লকের কৃষকদের জন্যও হলদিবাড়ি কিষান মান্ডিতে সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান কেনার প্রক্রিয়া শুরু হয়। বিধানসভা নির্বাচন ও করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের বাড়বাড়ন্ত শুরু হতেই মাঝপথে তা বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হতেই চলতি মাসের গড়ার দিক থেকে পুনরায় কৃষকদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত সহায়ক মূল্যে ধান ক্রয়ের কাজ শুরু করা হয়েছে।

- Advertisement -

      তৃণমূলের হলদিবাড়ি ব্লক কমিটির সভাপতি অমিতাভ বিশ্বাস বলেন, ‘পঞ্চায়েত প্রধানরা এলাকার প্রকৃত কৃষকদের ধান বিক্রির জন্য পাঠাবেন। তাতে নথিভুক্ত সকল কৃষকরাই সমান সুযোগ পাবেন। কোন প্রকার দুর্নীতি বা অনিয়ম হবে না।’ হলদিবাড়ির বিডিও তাপসী সাহা বলেন, ‘ব্লকের কৃষকরা যাতে সুষ্ঠুভাবে ধান বিক্রি করতে পারেন সেই উদ্দেশ্যে গত বৃহস্পতিবার পার্সেস কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ওই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।’